TMC: মমতার ওপর ‘হামলা’য় প্রতিবাদ মিছিলে দেখা গেল হাতেগোনা তৃণমূল কর্মীকে
Baduria TMC: হালিশহরের সাম্প্রতিক ঘটনার প্রতিবাদে কালীঘাটের নির্দেশে মগরা থেকে বাগজোলা পর্যন্ত এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় সমস্ত প্রশাসনিক ও দলীয় স্তর তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও মিছিলে আশানুরূপ ভিড় না হওয়ায় দলের ভেতরেই তৈরি হয়েছে চরম অসন্তোষ।

উত্তর ২৪ পরগনা: বাদুড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্র, পৌরসভা, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে শুরু করে সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েত—সবই তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। তবুও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হালিশহরে ‘হামলা’র প্রতিবাদে মিছিলে দেখা গেল হাতে গোনা কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি। যে এলাকায় কয়েক মাস আগেও তৃণমূলের একচ্ছত্র দাপট ও উপচে পড়া জনসমাগম দেখা যেত, সেখানেই শাসকদলের এই ছন্নছাড়া চিত্র রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
হালিশহরের সাম্প্রতিক ঘটনার প্রতিবাদে কালীঘাটের নির্দেশে মগরা থেকে বাগজোলা পর্যন্ত এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় সমস্ত প্রশাসনিক ও দলীয় স্তর তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও মিছিলে আশানুরূপ ভিড় না হওয়ায় দলের ভেতরেই তৈরি হয়েছে চরম অসন্তোষ।
মিছিল শেষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বাদুড়িয়ার তৃণমূল বিধায়ক বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন এবং দলের অন্যান্য স্থানীয় পদাধিকারীদের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন দলের নেতৃত্বের একাংশ।
এলাকারই তৃণমূলের নেতৃত্বের একাংশের বক্তব্য, দলীয় কোন্দলের চরম পরিণতি হিসাবে বিধায়ক বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন নিজে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় সংগঠনে। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের জেরেই বাদুড়িয়ার মতো শক্ত ঘাটিতেও তৃণমূলের কর্মী ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
