রামকৃষ্ণ পরমহংসকে মোদীর ‘স্বামী’ সম্বোধন, বাংলাকে ‘অসম্মান’ করার অভিযোগ মমতার

Modi-Mamata: তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, "কী বলতে হয় এরা জানে না। অবিলম্বে সংশোধন করা উচিত। যারা রিসার্চ করছেন, তাঁদের জানা উচিৎ।" তবে বিজেপির দাবি, সম্বোধনে কিছু যায় আসে না। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, "স্বয়ং রামকৃষ্ণ দেবই বলে গিয়েছেন যত মত তত পথ, কেউ ভগবান বলে, কেউ ঠাকুর বলে, কেউ দেব বলে, যে ভাবে ঈশ্বরকে ডাকবে, সেভাবেই তিনি দেখা দেবেন।"

রামকৃষ্ণ পরমহংসকে মোদীর স্বামী সম্বোধন, বাংলাকে অসম্মান করার অভিযোগ মমতার
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 19, 2026 | 1:16 PM

কলকাতা: রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথিতেও বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক্স মাধ্যমে করা পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদে প্রধানমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিম দা’ সম্বোধন করায় বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। আর এবার রামকৃষ্ণ দেবকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করায় প্রশ্ন তুলল তৃণমূল। এভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করা হয়েছে বলে এক্স মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা। বিজেপির দাবি, সম্বোধনে কিছু যায় আসে না, শ্রদ্ধাটাই আসল।

আজ, বৃহস্পতিবার রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি পালিত হচ্ছে। এদিন মোদী এবং মমতা উভয়েই রামকৃষ্ণ দেবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘স্বামী রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম জয়ন্তীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।’ এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত।

প্রধানমন্ত্রী পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রশ্ন তুলে পোস্ট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, রামকৃষ্ণদেব যুগাবতার ছিলেন, তাই তাঁকে ‘ঠাকুর’ হিসেবেই সম্বোধন করা হয়। তাঁর শিষ্য অর্থাৎ সন্ন্যাসীদের নামের আগে ব্যবহার করা হয় ‘স্বামী’। মুখ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, রামকৃষ্ণ দেবকে ‘ঠাকুর’, বিবেকানন্দকে ‘স্বামী’ ও সারদা দেবীকে ‘মা’ হিসেবে সম্বোধন করা হয় বাংলায়। এইভাবে নতুন প্রত্যয় যুক্ত করবেন না বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন মমতা।

তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, “কী বলতে হয় এরা জানে না। অবিলম্বে সংশোধন করা উচিত। যারা রিসার্চ করছেন, তাঁদের জানা উচিৎ।” তবে বিজেপির দাবি, সম্বোধনে কিছু যায় আসে না। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “স্বয়ং রামকৃষ্ণ দেবই বলে গিয়েছেন যত মত তত পথ, কেউ ভগবান বলে, কেউ ঠাকুর বলে, কেউ দেব বলে, যে ভাবে ঈশ্বরকে ডাকবে, সেভাবেই তিনি দেখা দেবেন। শ্রদ্ধা দেখানো হয়েছে কি না, সেটাই বড় জিনিস।”