
কলকাতা: আহত রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত গুণ্ডারা তাঁকে উদ্দেশ্যে করে থান ইট ছোড়ার চেষ্টা করেছে। ইটের আঘাত লেগেছে তাঁর পেটে। সংবাদ মাধ্যমের সামনে তা দেখালেন তিনি। পাশাপাশি অভিযোগ করলেন, বহিরাগতদের ভাড়া করে নিয়ে আসা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সভায়। তাঁরাই তাঁকে এবং তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করেছে।
শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলেন। সেই সময়ই হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক। রণক্ষেত্র চেহারা নেয় মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা। বিজেপির অভিযোগ, তাঁরা বাসে করে যাচ্ছিলেন মোদীর সভাস্থলের উদ্দেশে। সেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায়। বাস ভাঙচুর করে। আহত হন বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী। আহত হন বৌবাজার থানার ওসি।
অপরদিকে, শশী পাজাঁর বক্তব্য, বিজেপিই প্রথম হামলা করেছে তাঁদের উপর। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। মন্ত্রী দাবি, বাস ভর্তি বোমা-বোতল নিয়ে যাচ্ছিল বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত গুণ্ডারা। তাঁরাই তাঁকে মেরেছে, তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করেছে। শশী বলেন, ” আমার রাস্তার উপরে বাড়ি। বিজেপির গুণ্ডারা আমাদের বাড়িতে আক্রমণ করেছে। ওরা খুনি। ওরা আক্রমণ করে ইট-বোতল-লাঠি নিয়ে আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের মেরেছে। আমাকেও মেরেছে। এরা গুণ্ডা শুধু নয়, এরা খুনি। ওদের স্পর্ধা দেখুন…এরা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সভায়। ওদের বাসে ভর্তি রয়েছে ইট, বোমা, বোতল রয়েছে। আমার তৃণমূলের সহযোদ্ধারা আক্রান্ত। কাউকে হাসপাতাল-কাউকে নার্সিংহোমে পাঠিয়েছি। পিছনের গলিতে গিয়ে পুলিশকে মেরেছে। মহিলা পুলিশকে আক্রমণ করেছে। আমাদের কাউন্সিলরকে আক্রমণ করেছে। এরা বাংলার নয়, বাইরে থেকে গুণ্ডা এনেছে, খুনিদের নিয়ে এসেছে।”
এরপর তিনি বলেন, “বয়কট বিজেপির ফ্লেক্স দেখে ওরা ছিঁড়েছে। তৃণমূল সেই ফ্লেক্সগুলো আবার লাগাচ্ছিল…বাস থেকে নেমে তৃণমূল কর্মীদের বিজেপি মারল। তারপর আমরা প্রতিবাদ করলাম। এরপর বিজেপি ইট পাটকেল ছুড়েছে। সেই যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো। আমি তো ইনজিওরড, আই অ্যাম ইনজিওরড। ওরা খুনি,আমায় ভিতরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। একটা থান ইট আমার পেটে লেগেছ।”