Kolkata Cyber Fraud: কসবার ঝাঁ চকচকে অফিস, ভিতরে চলছিল অন্য ‘খেলা’! কলকাতা পুলিশের জালে ৬৭
Kolkata Mobile Tower Installation Scam: লালবাজার সূত্রে খবর, কসবা এলাকায় ঘর ভাড়া নিয়ে রীতিমত ঝাঁ চকচকে অফিস খুলে চলছিল ওই প্রতারণা চক্র। তদন্তকারী আধিকারিক সূত্রে খবর, মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর নাম করে ফোন করা হত। এরপর যাঁরা বাড়ির বা অফিসের ছাদে মোবাইল টাওয়ার বসাতে রাজি হতেন,তাঁর থেকে ইনস্টলেশন চার্জ বাবদ প্রথমে কিছু টাকা নেওয়া হত। তারপর কী হত?

কলকাতা: মোবাইল ফোনের টাওয়ার (Mobile Phone Tower) বসাবেন? হঠাৎ একটা কল। কয়েক মিনিটের কথোপকথন। একবার রাজি হলেই মুহূর্তেই খোয়াতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তদন্তে নেমে সম্প্রতি, শহরে বড়সড় প্রতারণা চক্রের (Mobile Tower Installation Fraud) পর্দাফাঁস করল কলকাতা পুলিশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬৭ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। ধৃতদের মধ্যে ৪১ জন মহিলা বলে জানা গিয়েছে।
কীভাবে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হয়েছিল?
লালবাজার সূত্রে খবর, কসবা এলাকায় ঘর ভাড়া নিয়ে রীতিমত ঝাঁ চকচকে অফিস খুলে চলছিল ওই প্রতারণা চক্র। তদন্তকারী আধিকারিক সূত্রে খবর, মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর নাম করে ফোন করা হত। এরপর যাঁরা বাড়ির বা অফিসের ছাদে মোবাইল টাওয়ার বসাতে রাজি হতেন,তাঁর থেকে ইনস্টলেশন চার্জ বাবদ প্রথমে কিছু টাকা নেওয়া হত। অভিযোগ, সেই চার্জ নেওয়ার সময়ই ফাঁদ পাতা হত। অর্থাৎ,ব্যাঙ্কের সব তথ্য পেয়ে যেত অভিযুক্তরা। তারপরই ওই সব অ্য়াকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ ।
১০০টির বেশি মিউল অ্যাকাউন্টের হদিশ
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ১০০টির বেশি মিউল অ্যাকাউন্ট অর্থাৎ বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে বলে সূত্রে খবর। তদন্তকারী আধিকারিক সূত্রে খবর, সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে হাতানো টাকা সরিয়ে ফেলা হয়েছে ওই সব মিউল অ্যাকাউন্টে। উদ্ধার করা হয়েছে ল্যাপটপ, মোবাইল, সিমকার্ড, রাউটার সহ নানাধরনের ডিজিটাল ডিভাইস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর পিছনে আরও বড় কোনও চক্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
