Saayoni Ghosh: ‘আগে ইগনোর করেছি, এবার… কোর্টে দেখা হবে’, লিগাল নোটিস পাঠালেন সায়নী
Defamation Notice: তাপস মণ্ডলকে দেওয়া আইনি নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২০ সালে তিনি একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, যার দাম ছিল ৮০ লক্ষ টাকা। ব্যাঙ্ক থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে সেই ফ্ল্যাট কিনেছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ২০২৪-এ কেনা একটি স্করপিও গাড়ি ও একটি হন্ডা জ্যাজ কেনার কথাও উল্লেখ করেছেন সায়নী।

কলকাতা: ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে! এই অভিযোগে এবার নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডের অন্যতম ‘মিডলম্যান’ তাপস মণ্ডলকে আইনি নোটিস পাঠালেন সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। যাদবপুরের সাংসদ সায়নীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এনেছিলেন তাপস মণ্ডল। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের থেকে সায়নী ঘোষ সুবিধা পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন তিনি। এরপরই ৫ কোটি টাকার মানহানির নোটিস দিলেন সায়নী।
তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ হওয়া সায়নী বর্তমানে এনসিপিআই-এর সাংসদ ও এনডিএ-র সমর্থকও বটে। সেই সায়নী সম্পর্কে সম্প্রতি তাপস মণ্ডল TV9 বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “গোটা রাজ্য়ে এরকম হাজার কুন্তল পাওয়া যাবে যাঁরা অভিষেকের নামে টাকা তুলেছে। সায়নীর পিছনে অনেক খরচ করত কুন্তল। কারণ ও তো যুব সম্পাদক, আর সায়নী যুব সভানেত্রী। ওকে তো ফ্ল্যাট, গাড়ি দিয়েছে।”
তাপসের এই মন্তব্যেই আপত্তি জানিয়েছেন সায়নী। তাপস মণ্ডলকে দেওয়া আইনি নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২০ সালে তিনি একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, যার দাম ছিল ৮০ লক্ষ টাকা। ব্যাঙ্ক থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে সেই ফ্ল্যাট কিনেছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ২০২৪-এ কেনা একটি স্করপিও গাড়ি ও একটি হন্ডা জ্যাজ কেনার কথাও উল্লেখ করেছেন সায়নী। কীভাবে রোজগার, কীসের টাকায় সাংসদ সংসার চালান, সে সব উল্লেখ করেই নোটিস দেওয়া হয়েছে।
নোটিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে তাপস মণ্ডল যে সব কথা বলেছেন, তাতে সায়নী ঘোষের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তাই অবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ও ৫ কোটি টাকা দিতে হবে। অন্যথায় আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন সায়নী। সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “অনেক বিস্ফোরক মন্তব্য উনি করেছেন। আমার ফ্ল্যাট নিয়ে ক্যামেরার সামনে অনেক কথা বলেছেন। বিভ্রান্ত করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাকে একবার তদন্তকারী সংস্থাও ডেকেছিল। ৫০০ পাতার নথি জমা দিয়েছিলাম। তারপর আর কখনও ডাক আসেনি। আগে আগে ইগনোর করেছি। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। আমি যাদবপুরের মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। যে কারও সম্পর্কে কোনও ভিত্তি ছাড়া কথা বলা যায় না। আশা করব উনি কমপ্লাই করবেন, না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। কোর্টে দেখা হবে।”
