
কলকাতা: বৈঠক হচ্ছে দফায় দফায়। ভোট ক্রমশ এগিয়ে এলেও সিপিএমের জোট কার সঙ্গে, সে উত্তর এখনও অধরা। বিমান বসুদের সঙ্গে আগেও বৈঠকে বসেছেন আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকী। এবার জোট আলোচনায় একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চান আইএসএফ বিধায়ক। যত দ্রুত সম্ভব জোটের আলোচনা শেষ করতে হবে বলে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে আলিমুদ্দিনে বৈঠক করলেন বিমান-নওশাদ।
বাম-আইএসএফ জোট যে হচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তবে এবার জটিলতা রয়ে যাচ্ছে আসন ভাগাভাগি নিয়ে। আইএসএফ যে এবার আগের তুলনায় বেশি আসন চাইছে, তা আগেই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বাম আর আইএসএফ জোট থমকে রয়েছে ৩১-৩২ আর ৪৩-৪৪ ফর্মুলায়।
সূত্রের খবর, আইএসএফ দাবি করেছে ৪৩ থেকে ৪৪টি আসনে তাদের লড়তে দিতে হবে। কিন্তু সিপিএম ৩১ থেকে ৩২ টির বেশি আসন ছাড়তে নারাজ। ফলে এই বোঝাপড়াতেই আপাতত আটকে রয়েছে জোট। বামফ্রন্টের অন্য শরিকরাও সেই সব আসন চাইছে, যা চাইছে আইএসএফ। বাম শিবিরের কাছে এই জোট তাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই ওই আসনগুলো আদতে সিপিএম লড়ে আসছে। ফলে সব আসন ছেড়ে দিলে এলাকায় ক্রমশ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে সিপিএম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকার কর্মীরা সেই কথা নেতৃত্বকে বলেছেন। কর্মীদের সেই কথা নিয়েও ভাবছে আলিমুদ্দিনস্ট্রিটের ম্যানেজাররা।