
নিউটাউন: সবে ভোরের আলো ফুটেজে। চায়ের দোকানে দু-একজন করে ভিড় বাড়ছে। পাশেই আবর্জনার স্তূপ। চায়ের দোকান থেকে এক ব্যক্তি গুটখার পিক ফেলতে গেলেন ওই আবর্জনা স্তূপে। আর গুটখার পিক ফেলতে গিয়েই চমকে উঠলেন। এক নবজাতকের দেহ পড়ে রয়েছে। তাঁর চিৎকারে ছুটে এলেন আশপাশের সবাই। খবর দেওয়া হল পুলিশ। ঘটনাটি নিউটাউনের চণ্ডীবেড়িয়ার। সদ্যোজাতর দেহ উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে নিউটাউন থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা।
নিউটাউন থানার পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে তারা খবর পায়, পাত্রপাড়ায় একটি আরর্জনার স্তূপে এক শিশুপুত্রের দেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়েই পৌঁছয় পুলিশ। সদ্যোজাতর মৃত্যুর কারণ জানতে মৃতদেহ বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
কে বা কারা ওই শিশুপুত্রের দেহ আবর্জনা স্তূপে ফেলে রেখে গিয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, রাতের অন্ধকারে মৃতদেহ আবর্জনা স্তূপে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
প্রদীপ হালদার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা সকাল ৬টা নাগাদ চায়ের দোকানে এসেছিলাম। একজন গুটখার পিক ফেলতে ওই আবর্জনা স্তূপে দিকে যান। তখনই তিনি ওই সদ্যোজাতর দেহ দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে সবাই দৌড়ে যাই। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।” তাঁদেরও অনুমান, রাতের অন্ধকারে নবজাতকের দেহ এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে। শিশুটিকে মেরে দেহ ফেলা হয়েছে নাকি ফেলে দেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। লোকলজ্জার ভয়ে কোনও কুমারী মা সদ্যোজাতকে ফেলে দিয়ে গিয়েছেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।