
কলকাতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এসেছে নির্দেশ। কলকাতা পুলিশ যাতে কেস ডায়েরি হস্তান্তর করে। ভাঙড়ে বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার আদালতে এই আবেদন জানাল NIA। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলেও জানায় NIA। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১৮(২) ধারা অর্থাৎ বিপজ্জনক ও প্রাণনাশকারী আঘাত, ২৮৭ ধারা অর্থাৎ দাহ্য পদার্থ বিপজ্জনক জেনেও ব্যবহার এবং ২৮৮ ধারা অর্থাৎ বিস্ফোরক পদার্থ প্রাণহানি ঘটতে পারে জেনেও ব্যবহার ইত্যাদি একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি এক্সপ্লোসিভ সাবস্ট্যান্ট অ্যাক্টের ২ ও ৩ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এনআইএ-এর তরফে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হোক, যাতে কেস ডায়েরি হস্তান্তর করা হয়। অভিযুক্ত একজনকে, যাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাকে নিজেদের হেফাজতে চায় NIA।
সপ্তাহ দুয়েক আগে বুধবার ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার হয় তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ। মৃতের নাম মসিউর কাজির। কিন্তু তাঁর দেহটি উদ্ধার হয় হাড়োয়ায়। ঘটনার ৬ দিনের মাথায় রহস্য়ের কিনারা করে বিজয়গঞ্জ থানা। পুলিশের দাবি, বোমা বাঁধতে গিয়েই, বিস্ফোরণে মৃত্য়ু হয় মসিউর কাজির। দেগঙ্গার গাংনিয়া এলাকার ১৭৮ নম্বর বুথের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় সঞ্জয় মণ্ডল নামে এক অ্যাম্বুল্যান্স চালককে গ্রেফতার করে পুুলিশ। তাকেই নিজেদের হেফাজতে পেতে চায় NIA।