Kasba Case: বোনকে খাবার বানাতে পাঠিয়েই চলে গেলেন ব্যালকনিতে, তারপরই ৮ তলা থেকে মরণ ঝাঁপ যুবকের, কসবায় হাড়হিম ঘটনা

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, ওই যুবক বেশ কয়েক মাস ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর আরও দুই ভাই এবং বোন রয়েছেন। তবে ওয়াজাহাত থাকলেও তিনি তাঁদের সঙ্গে ওই আবাসনে থাকতেন না। তিনি অন্যত্র বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, এদিন ওই যুবককে তার বাবা-মা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে নিয়ে আসেন।

Kasba Case: বোনকে খাবার বানাতে পাঠিয়েই চলে গেলেন ব্যালকনিতে, তারপরই ৮ তলা থেকে মরণ ঝাঁপ যুবকের, কসবায় হাড়হিম ঘটনা
কসবায় হাড়হিম ঘটনাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 13, 2026 | 8:56 PM

কলকাতা: ভয়ঙ্কর ঘটনা কসবায়। সেখানে অভিজাত আবাসন থেকে মরণঝাঁপ দিলেন এক যুবক। অস্বাভাবিক এই মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কসবা থানার লস্করহাট রোডে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ওই যুবকের নাম ওয়াজাহাত খান (২৪)। তিনি আট তলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, ওই যুবক বেশ কয়েক মাস ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর আরও দুই ভাই এবং বোন রয়েছেন। তবে ওয়াজাহাত থাকলেও তিনি তাঁদের সঙ্গে ওই আবাসনে থাকতেন না। তিনি অন্যত্র বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, এদিন ওই যুবককে তার বাবা-মা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে নিয়ে আসেন। এরপর নিজের বোনকে খাবার তৈরি করে আনতে বলেন। বাড়ির সদস্যদের নজর যখন অন্যদিকে ছিল, তখনই তিনি আটতলার ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ মারেন। আবাসনের কেয়ারটেকার বিকট আওয়াজ পেয়ে ছুটে এসে দেখেন তিনি আবাসনের প্রধান ফটকের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছেন। রক্তে ভেসে যাচ্ছে আশপাশ। এর পরই তিনি চিৎকার করে আবাসনের মসিনাদের ডাকেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কসবা থানার পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে তারা।

আবাসনের কেয়ারটেকার এবং মূল প্রত্যক্ষদর্শী তুষার নাইঞা বলেন, “আমি সবে খেতে বসেছি। হঠাৎ একটা আওয়াজ হয়েছে। ভেবেছি বাইরে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাইরে এসে দেখি মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছেন আর আবাসন রক্তে ভেসে যাচ্ছে। শুনলাম এই ঘটনার আগে উনি বাইরে থেকে এসেছিলেন। ওঁর বাবা মা যখন ”