Srijan on Pratik-Ur: দু’জনেই ‘ফুলে’ যাবেন? কী কথা হল প্রতীক উর-সৃজনের?

CPIM: দীর্ঘদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধরেছিলেন এসএফআইয়ের স্টিয়ারিং। একজনের কাঁধে ছিল রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব, অন্যজনের কাঁধে ছিল রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব। সিপিএমে কান পাতলেই নাকি শোনা যায়, প্রতীক-উরকে কেউ যদি ভাল চেনে সে একমাত্র সৃজন, আবার উল্টোটাও।

Srijan on Pratik-Ur: দুজনেই ফুলে যাবেন? কী কথা হল প্রতীক উর-সৃজনের?
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 17, 2026 | 8:19 PM

কলকাতা: ভাইরাল রাজ্য দলের রাজ্য সম্পাদককে লেখা চিঠি। তাতেই স্পষ্ট সিপিএম থেকে পাকাপাকিভাবে অব্যাহতি চাইছেন প্রতীক-উর রহমান। শেষ লোকসভা ভোটে এই প্রতীকূরই ছিল ডায়মন্ড হারবারে বামেদের তুরুপের তাস। এখন শোনা যাচ্ছে তিনিই নাকি যোগ দিতে চলেছেন তৃণমূলে। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তীব্রতা যতই বাড়ছে ততই অস্বস্তি বাড়ছে সিপিএমের অন্দরেও। শুরুতে কমবেশি সকলেরই মুখে কুলুপ থাকলেও ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছে তরুণ ব্রিগেড। যদিও সব জল্পনায় জল ঢালছেন প্রতীক-উররের দীর্ঘদিনের সতীর্থ সৃজন ভট্টাচার্য। 

দীর্ঘদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধরেছিলেন এসএফআইয়ের স্টিয়ারিং। একজনের কাঁধে ছিল রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব, অন্যজনের কাঁধে ছিল রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব। সিপিএমে কান পাতলেই নাকি শোনা যায়, প্রতীক-উরকে কেউ যদি ভাল চেনে সে একমাত্র সৃজন, আবার উল্টোটাও। সেই সৃজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল টিভি৯ বাংলার তরফে। তিনি সাফ বলছেন, “আমার সঙ্গে কথা হয়েছে প্রতীক উররের। ও প্রকাশ্যে বলেছে এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দলের নেতারাও সে কথাই বলছেন। আমিও দলের কর্মী, প্রতীক-উরও দলের কর্মী। আমাদের কী কথা হয়েছে সেটা অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসাবেই ধরব।”  

কিন্তু দলবদল? তা কী হচ্ছে না? মানে তৃণমূলে যাচ্ছেন না প্রতীক-উর? সৃজন বলছেন, “আমি তো সিপিএম করি। আমি এখনও পর্যন্ত জানি প্রতীকূর সিপিএম নেতা, এসএফআই-এর প্রাক্তন নেতা। তিনি প্রকাশ্যে কোথাও বলেলনি তিনি দল ছাড়ছেন। তিনি প্রকাশ্যে বললেনি তিনি অন্য দলে যোগদান করেছেন। এই মুহূর্তে অন্য কোনও গালগল্পে মাথা দেওয়া,অনর্থক চর্চা করা অর্থহীন।” 

তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না তৃণমূল। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলছেন, “প্রতীক উর রহমানের সঙ্গে আমার কোনও আলাপ নেই। ছেলেটা সিপিএমে খুবই ডেডিটেটেড বলে শুনেছি। কিন্তু ওদের বায়োলজিক্যাল ফেরেব্বাজ একটা শ্রেণি আছে। প্রতীক উররা বাড়ি বাড়ি ঘোরে এলাকায়। আর অন্য শ্রেণি মুখে চুন পাউডার মেখে মিডিয়া, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকে।”