
কলকাতা: আরজি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে আত্মসমর্পণ আখতার আলির। যদিও এখনও তাঁর অসুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ সিবিআইয়ের। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে জামিনের আবেদন খারিজ করার আবেদন জানিয়ে সিবিআই আইনজীবী সওয়াল করেন, “মিডিয়া বাইটের জন্য উনি ফিট। জেল হেফাজতে পাঠানো হোক।” আখতারের আইনজীবী তখন সওয়াল করেন, “১৬ ডিসেম্বর প্রথম হাজিরার তারিখ ছিল। কিন্তু আমরা হাইকোর্টে যাই। তারপর উনি অসুস্থ ছিলেন।” সিবিআই আইনজীবী তখন প্রশ্ন করেন, “কিন্তু তারপরও এলেন না কেন?”
শুনানিতে ছিলে সন্দীপ ঘোষেরও আইনজীবী। তাঁর আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত বলেন, “আখতার আলির জন্য এই মামলা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতে হাজির না হওয়া মানে নির্দেশ অমান্য করা, খুব স্পষ্ট উনি লুকোচ্ছেন। দুর্নীতির শিকড় আরও গভীরে আছে। সেই নথি আমরা আদালতে দিয়েছে। তাতে সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নেই।”
বিচারক তখন সিবিআই-এর আইনজীবীর কাছে জানতে চান, “সাপ্লিমেন্টারি ছাড়া মেন চার্জাশিটে কি ওঁনার নাম আছে?” সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সঞ্জয় দাসগুপ্ত বলেন, “আগে থেকেই এই অভিযুক্তর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ আছে। হুইসেল ব্লয়ার উনি।”
বিচারক তখন প্রশ্ন করেন, “উইটনেস হিসাবে নাম কেন রাখা হয়নি তখন?” সন্দীপের আইনজীবী জানান, “সন্দীপ ঘোষের আগে থেকে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কয়েকজন ধরা পড়েন। আমার মক্কেল বছর কাটিয়ে দিলেন জেলে, আর কয়েকজন এখনও ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন। যা বলা হয়েছিল সেটা সত্যি নয়। যা ঘটনা সেটা এখন এসে CBI বলছে।” আগাম জামিন আবেদন বাতিল হওয়ার পর আদালতে আসা উচিত ছিল।