AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

R G Kar: কার নির্দেশে আরজি করের সেই ঘর ভাঙা হয় সেদিন? সন্দীপ গারদে ঢুকতেই প্রকাশ্যে এল বড় নাম, তিলোত্তমা ধর্ষণ-খুনে মোড় ঘোরানো তথ্য

R G Kar: সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যেই সিবিআই উল্লেখ করেছে, প্লেস অফ অকারেন্স থেকে তথ্য প্রমাণ লোপাট হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্লেস অফ অকারেন্স ভাঙার নির্দেশও সম্পর্কিত। আদালতে ইতিমধ্যেই বিষয়টি উল্লেখ করেছে সিবিআই।

R G Kar: কার নির্দেশে আরজি করের সেই ঘর ভাঙা হয় সেদিন? সন্দীপ গারদে ঢুকতেই প্রকাশ্যে এল বড় নাম, তিলোত্তমা ধর্ষণ-খুনে মোড় ঘোরানো তথ্য
কার নির্দেশে সেমিনার রুম ভাঙা হয়? Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 05, 2024 | 3:40 PM
Share

কলকাতা: আরজি কর মামলায় প্রথম থেকেই একাধিক জলঘোলা। প্রথম থেকেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ। শুরু থেকেই তথ্য প্রমাণ লোপাটেরও অভিযোগ। যে দিন মামলার দায়িত্বভার হাতে পায় সিবিআই, ঠিক তার আগেই ‘প্লেস অফ অকারেন্স’ অর্থাৎ সেমিনার রুম চত্বর সংস্কারের নামে ভাঙা হয়। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের চার তলার সেমিনার হল, যা এই মামলার সবথেকে বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ঘটনাস্থল যেখানে, সেই ঘরের পাশের ঘর ভাঙতে হঠাৎই উদ্যোগী হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ! হঠাৎ কেন এই উদ্যোগ? কার নির্দেশেই বা এই ভাঙার নির্দেশ? সে প্রশ্ন উঠেছিল। TV9 বাংলার হাতে এসেছে বিস্ফোরক নথি। দেখা যাচ্ছে, সেমিনার রুম চত্বর ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ।

TV9 বাংলার হাতে এসেছে PWD-কে লেখা পারমিশন লেটার। চিকিৎসকদের অন ডিউটি রুম-শৌচাগার ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। সেই নির্দেশনামায় সই রয়েছে সন্দীপের। আর নির্দেশনামা ১০ অগাস্টের। তিলোত্তমা খুন হন ৮ অগাস্ট মধ্যরাতে। তাহলে কীভাবে এত বড় ঘটনার পর ভাঙার নির্দেশ?

আরজি করের সেমিনার রুম কার নির্দেশে ভাঙা হয়েছে, সে প্রশ্ন ওঠে আদালতেও। নির্দেশনামায় দেখা যাচ্ছে, সন্দীপ ঘোষ পূর্ত বিভাগের সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যেখানে এত বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তারপর কীভাবে ক্রাইম সিন ভেঙে ফেলা হল?

নির্দেশনামায় উল্লেখ করা রয়েছে, ১০ অগাস্ট প্ল্যাটিনাম জুবলি বিল্ডিংয়ে যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা কৌস্তভ নায়েকের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই মতো নির্দেশ দিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও নির্দেশনামার বয়ান এমনভাবে রয়েছে, যাতে সন্দীপ ঘোষ বন্দুক রাখছেন স্বাস্থ্যভবনের কাঁধেই।

সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যেই সিবিআই উল্লেখ করেছে, প্লেস অফ অকারেন্স থেকে তথ্য প্রমাণ লোপাট হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্লেস অফ অকারেন্স ভাঙার নির্দেশও সম্পর্কিত। আদালতে ইতিমধ্যেই বিষয়টি উল্লেখ করেছে সিবিআই।

আন্দোলনকারী চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, “ঘটনাটি ঘটার পর থেকে ধামাচাপা দেওয়ার যে চেষ্টা, তথ্য প্রমাণ লোপাটের যে চেষ্টা, সন্দীপ ঘোষ-সহ পুরো সিন্ডিকেট। যারা সাস্থ্য ব্যবস্থায় রাজ চালিয়ে আসছিলেন, যে নামগুলো সামনে আসছে, তাঁরা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত। আমরা প্রথম থেকে দাবি করেছিলাম, কলেজ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)

Follow Us