AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ritabrata Banerjee: মোদীর ঝালমুড়িতেই ক্ষমতাহারা তৃণমূল, এবার ঋতব্রতও মুড়ি খাচ্ছেন, কী হবে মমতার?

Ritabrata Banerjee on 50 Rebel MLAs: দল ইতিমধ্যেই তাঁকে বহিষ্কার করেছে। 'গদ্দার', 'বিশ্বাসঘাতক' একাধিক তকমা দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এসবের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর শ্রদ্ধা ও আস্থাশীল ঋতব্রত। তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন নেত্রী, আমাদের সবার নেত্রী। আমি দল থেকে বহিষ্কৃত হতে পারি, কিন্তু তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমার সম্মান কমে যাবে না।"

Ritabrata Banerjee: মোদীর ঝালমুড়িতেই ক্ষমতাহারা তৃণমূল, এবার ঋতব্রতও মুড়ি খাচ্ছেন, কী হবে মমতার?
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়কImage Credit: Meta AI
| Updated on: Jun 02, 2026 | 3:34 PM
Share

কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে ঝাড়গ্রামে সভার পর রাস্তার দোকানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খেয়ে ট্রেন্ড সেট করেছিলেন। ছুঁয়ে গিয়েছিলেন বাঙালি আবেগ। মমতার খোঁচায় উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি ঝালমুড়ি খেয়েছিলাম, ঝাল লাগল অন্যের।” ভিনরাজ্যের তকমা ঝেড়ে মিশেছিলেন বাঙালি আবেগে। আর তাতেই কুপোকাত তৃণমূল। এবার মুষলপর্বে বিপর্যস্ত তৃণমূল। তৃণমূল অন্দরেই সমান্তরাল দুটি অক্ষরেখা। তারই মাঝে সই জাল নিয়ে ঋতব্রত-পর্ব! এবার ঋতব্রত তৃণমূলের এই জমানায় তৈরি করলেন মুড়ি-পর্ব! কী এই মুড়ি পর্ব?

বিধানসভায় তৃণমূলের বহিষ্কৃত হয়েছেন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতিকাণ্ডে ভাঙছে তৃণমূল। ঋতব্রত ৫০ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়কের রেজুলিউশন জমা দিতে চলেছেন স্পিকারের কাছে। এই জল্পনা তৈরি হয় মন্ত্রী তাপস রায়ের মন্তব্য ঘিরেই। তিনি দাবি করেছিলেন,  ৮০ জনের মধ্যে ৫০ জন কোনও দাবি জানালে, সেই দাবি মান্যতা পাবে। কিন্তু এদিন  ঋতব্রতকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে, তিনি স্পষ্টই জানান, “এই ধরনের কথার কোনও মানেই হয় না। এটা সম্পূর্ণটাই জল্পনা।”

কিন্তু এই জল্পনা আরও বাড়ে, যখন সূত্র মারফত খবর আসে, এমএলএ হোস্টেলে  তৃণমূলের এই গোপন বৈঠকে অংশ নেন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জন বিধায়ক, যার মধ্যে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বিধায়করাও ছিলেন। বিধানসভায় সই জাল করার অভিযোগ এবং দলের অন্দরে সৃষ্ট অসন্তোষের জেরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈঠক হয়। যদিও এই বৈঠককে নিতান্তই ‘মুড়ি খাওয়ার’ বৈঠক বলেই ব্যাখ্যা করলেন ঋতব্রত।

এদিন বিধানসভায় ঢোকার আগে ঋতব্রত সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “এমএলএ হোস্টেলে আড্ডা দিতে গিয়েছিলাম। মুড়ি খেতে গিয়েছিলাম। মুড়ি শশা-পেঁয়াজ-লঙ্কা মেখে খেলাম।” এতদিন বাংলায় রাজনৈতিক বহু প্রচলিত একটি শব্দবন্ধ ছিল ‘ফিশ ফ্রাই’ রাজনীতি। কিন্তু এবার এই শশা-পেঁয়াজ-লঙ্কা সহকারে ‘মুড়ি’ রাজনীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। অন্ততপক্ষে ঋতব্রতকে ঘিরে যখন তৃণমূল অন্দরে সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে।

দল ইতিমধ্যেই তাঁকে বহিষ্কার করেছে। ‘গদ্দার’, ‘বিশ্বাসঘাতক’ একাধিক তকমা দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এসবের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর শ্রদ্ধা ও আস্থাশীল ঋতব্রত। তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন নেত্রী, আমাদের সবার নেত্রী। আমি দল থেকে বহিষ্কৃত হতে পারি, কিন্তু তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমার সম্মান কমে যাবে না।”

এদিনও ঋতব্রত প্রশ্ন তোলেন, ‘কার বরাভয়ে সই জাল করা হয়েছিল?’ দলের এই পরিণতির কারণ হিসাবে তাঁর ব্যাখ্যা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পার্টি তৈরি করেছিলেন, সেটার পরিবর্তে একটা কর্পোরেট স্টাইলে পার্টি করতে গিয়েছিল। ‘তৃণমূল’কে যে স্ট্রাকচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা করতে চেয়েছিলেন, সেটা কাজ করেনি। অভিষেককে তাঁর খোঁচা, “২৬ দিন বাদে বেরিয়ে গণপিটুনি হোক কিংবা চোর পিটুনি খেলেন, তারপর বললেন জনগণ আমাকে নিরাপত্তা দেবেন। যিনি বলেছেন জনগণ নিরাপত্তা দেবেন, তাঁকে আবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চাইতে হচ্ছে কেন?”

Follow Us