
কলকাতা: ৩৮ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে ফেলেছে বাংলার পদ্ম শিবির। বাকি আর মাত্র ৪ আসনে প্রার্থীদের নাম সামনে আনা। এরইমধ্যে সামনে এসে গেল বিজেপির তারকা প্রচারকদের তালিকা। সেই তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজনাথ সিং, জে পি নাড্ডা, অমিত মালব্য, স্মৃতি ইরানি, যোগী আদিত্যনাথদের সঙ্গে একসারিতে জায়গা পেলেন কলকাতার বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। এই রুদ্রনীলই সম্প্রতি বিজেপির বিভিন্ন অংশের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ৬৭টি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। তারপর থেকেই তাঁর প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই না পাওয়া নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছেন। রাখঢাক না রেখে অভিমানের কথা প্রকাশ্যেও বলেছেন তিনি। রুদ্রনীলের কথায়, “যদি প্রার্থী তালিকার কথা বলেন, বলব একটু তো মন খারাপ হয়েছেই। আমি অভিমানী, বিক্ষুব্ধ এমনটা নয়।” সেই রুদ্রনীল এবার একেবারে বিজেপির তারকা প্রচারকের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে নিয়ে নতুন করে চর্চা রাজনীতির আঙিনায়। তবে কী অভিমান করেই একেবারে মোদী-যোগীদের সঙ্গে একসারি জায়গা পেয়ে গেলেন রুদ্রনীল? প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে নানা মহলে।
এদিকে বিজেপির প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী এখন ডায়মন্ড হারবার ছাড়া আর কোনও কেন্দ্র রুদ্রনীলের জন্য ফাঁকা নেই। তবে এখনও পর্যন্ত ওই আসনের জন্য রুদ্রনীলের কথা ভাবা হয়নি বলে খবর। প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট রয়েছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে। প্রথম দফার ভোটকে পাখির চোখ করেই সামনে আনা হয়েছে এই তারকা প্রচারকদের তালিকা। তালিকায় শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যদের পাশাপাশি রয়েছেন দিলীপ ঘোষও। সোজা কথায় গোটা তালিকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আধিক্য থাকলেও এ রাজ্যের বিজেপির মুখ বলে যাঁরা পরিচিত তাঁরা রয়েছেন।
রয়েছেন উত্তরবঙ্গের বিধায়করা। তবে উত্তরবঙ্গের নেতা হওয়া সত্ত্বেও বাদ গিয়েছেন জন বার্লা। কিন্তু জায়গা পেয়েছেন এ রাজ্যের সংগঠনের চার নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্ড, দীপক বর্মন এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। রয়েছেন স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। রয়েছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। কেন্দ্রীয় রয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রয়েছেন শঙ্কর ঘোষেরাও।