
কলকাতা: ‘জতুগৃহ’ আনন্দপুর নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি। এবার ঘটনাস্থলে যেতে চান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। সেখানে গড়িয়া শিতলামন্দির থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত মিছিল করতে চায় বিজেপি। কিন্তু সেখানে পুলিশ ১৬৩ ধারা জারি করেছে। মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।
পুলিশের তরফ থেকে শুভেন্দুর মিছিলে অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানা যে একটি ইমেল করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছে, সেই রুটে একাধিক হাসপাতাল, স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে যানজট হতে পারে।
উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত জরুরি পরিষেবার গাড়ি, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা যাতায়ত করছেন। মিছিল করলে সমস্যা হবে। তাই অনুমতি খারিজ।
গুদামের ১০০ মিটারের মধ্যে জারি করা হয়েছে এই ধারা। মিছিল, জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নোটিসে দাবি করা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের কাজে বাধা, উদ্ধারকাজে বাধা যাতে না আসে সেজন্য এই ধারা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগুন লাগার চতুর্থ দিনের পর জারি ১৬৩ ধারা। বিজেপি তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, রাজ্য় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আসবে, তাতে বাধা দেওয়ার জন্যই কি ১৬৩ ধারা?
এদিকে, ঘটনার চার দিনের মাথায় স্পষ্ট হয়েছে আগুন লাগার আসল কারণ। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, মোমো গুদাম নয়, প্রথম আগুন লাগে ডেকরেটর্সের গুদামে। দমকল ও ফরেন্সিক থেকে প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিমধ্যেই এসেছে পুলিশের হাতে। ডেকরেটর্সের গুদামের পশ্চিম দিকে তিন তলা বিল্ডিংয়ের অংশ থেকে আগুন লেগে তা মুহূর্তের মধ্যেই গ্রাস করে নেয় গোটা গুদাম ও মোমো গুদামকে।