JU: আর মাত্র কয়েকঘণ্টা, যাদবপুরের উপাচার্যকে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি পড়ুয়াদের
JU: ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভাকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যাদবপুরে, তার রেশ যেন কাটতেই চাইছে না। শনিবার যাদবপুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। তাঁকে শারীরিক হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। উপাচার্যের রক্তচাপ বেড়েছে।

কলকাতা: ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভাকে ঘিরে রণক্ষেত্র হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এবার যাদবপুরের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে সময়সীমা বেঁধে দিলেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। আজ (বুধবার) বিকেল ৪টের মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে হবে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যকে। না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা।
ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভাকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যাদবপুরে, তার রেশ যেন কাটতেই চাইছে না। শনিবার যাদবপুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। তাঁকে শারীরিক হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। উপাচার্যের রক্তচাপ বেড়েছে। টানা দশদিন বেড রেস্ট লিখে দিয়েছেন চিকিৎসক। বলে দেওয়া হয়েছে, কোনওরকম চিন্তা এই মুহূর্তে করা যাবে না।
মঙ্গলবার অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন ও আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। তবে অসুস্থতার কারণে সশরীরে হাজির হতে পারেননি। ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা দাবি জানিয়েছে, বুধবার বিকেল ৪টের মধ্যে উপাচার্যকে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ভার্চুয়ালি উপাচার্য তাঁদের সঙ্গে কথা বললে হবে কি না, তা স্পষ্ট করেননি আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। তবে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন, উপাচার্য ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক। ক্যাম্পাসে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তার দায় তাঁকে নিতে হবে। উপাচার্য তাঁদের সঙ্গে কথা না বললে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত পড়ুরারা। এখন দেখার, বুধবার বিকেল ৪টের মধ্যে উপাচার্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন কি না। আর উপাচার্য কথা না বললে পড়ুয়ারা কী আন্দোলন করবেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

