Voter List Manipulation: রাজ্যে হানা ‘ভূতুড়ে ভোটারের’? মমতার ‘ভয়’ নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল কমিশন! বলল…
Voter List Manipulation: রাজ্যে যখন 'এপিক বিতর্ক' নিয়ে বাড়ছে চাপান-উতোর সেই সময় বড় খোলাসা কমিশনের। রবিবার একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে দুই ভিন রাজ্য়ে একই 'এপিক নম্বর' নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান ঘটাল তাঁরা।

কলকাতা: ভোটার কার্ডে নাম আলাদা। ঠিকানা আলাদা। কিন্তু এক এপিক নম্বর। সেই নিয়েই আপাতত ‘ভোট কারচুপির’ আশঙ্কা দেখছে রাজ্যের শাসকদল। হাতে আর একটা মাত্র বছর। ছাব্বিশেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই ভোট কারচুপি নিয়ে সুর চড়াল রাজ্যে তৃণমূল শিবির।
সম্প্রতি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের মহাসমাবেশ থেকে মুখ্য়মন্ত্রী অভিযোগ তোলেন, ‘দিল্লি-মহারাষ্ট্রে মতোই এই রাজ্যে ভোট কারচুপি করে জিততে চায় বিজেপি।’ সেই দিন হাতে বেশ কিছু কাগজপত্র নিয়ে উঠে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ‘ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজ্যে তৈরি হয়েছে ভূতুরে ভোটার। সুকৌশলে রাজ্যের ভোটার তালিকায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাটের বাসিন্দা। দেখা গিয়েছে, রাজ্যের বাসিন্দার ভোটার কার্ডের এপিক নম্বরের সঙ্গে মিল থাকছে ভিন রাজ্যের বাসিন্দার এপিক নম্বর।’
উল্লেখ্য, রাজ্যে যখন ‘এপিক বিতর্ক’ নিয়ে বাড়ছে চাপান-উতোর সেই সময় বড় খোলাসা কমিশনের। রবিবার একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে দুই ভিন রাজ্য়ে একই ‘এপিক নম্বর’ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান ঘটাল তাঁরা।
কী লেখা রয়েছে সেই প্রেস বিবৃতিতে?
এদিন নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়েছে, একই এপিক নম্বরে দুই রাজ্যে ভোটার থাকা মানেই ভুয়ো ভোটার নয়। এপিক কার্ডে আলফা-নিউম্যারিক নম্বর এক হলেও কার্ডের অন্যান্য তথ্য যেমন, ভোটারের নাম, ব্যক্তিগত তথ্য, বিধানসভা কেন্দ্র, পোলিং বুথ সব আলাদা থাকে। যা সেই ভোটারকে কমিশনের কাছে একটি আলাদা পরিচয় প্রদান করে থাকে।
কমিশনের আরও দাবি, ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তকরণের গোটা প্রক্রিয়াটাই বিকেন্দ্রীক ও ম্য়ানুয়াল মেকানিজমের মাধ্যমে হয়, সেহেতু বিভিন্ন রাজ্যে একই ধরনের এপিক আলফা-নিউম্যারিক নম্বর ব্যবহারের সম্ভাবনা থাকে। যা ফলে দু’টি রাজ্যে একই এপিক নম্বর ইস্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিন্তু এই এপিক নম্বর যাই থাকুক না কেন ভোটার তার বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নির্দিষ্ট বুথ ছাড়া আর কোথাও ভোট দিতে সক্ষম নয়।
তবে এই একই এপিক নম্বরকে ‘স্বাভাবিক’ তকমা দিলেও, তা নিয়ে হাত গুটিয়ে না বসে থাকারও আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত প্রেস বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, দ্রুত এই ভুল সংশোধন করা হবে। প্রত্যেক ভোটারকেও আলাদা বা ইউনিক এপিক নম্বর দেওয়া হবে।

