AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bus problem: বছরের শুরুতেই বিপত্তি, চলছে না 30C- 30C/1 রুটের বাস

Kolkata: রবিবার দুপুরে হাতিয়ারা ৩০সি বাস স্ট্যান্ডে সারিসারি বাস দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাস না পাওয়ায় হয়রানি নিত্যযাত্রীদের। বাস চালকদের থেকে জানা গেল বাস বন্ধ আছে। ৩০সি/৩০সি/১ দুটি রুটের বাস বন্ধ। ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ এই রুট। কয়েকহাজার মানুষ এই বাসের ভরসায় যাতায়াত করেন।

Bus problem: বছরের শুরুতেই বিপত্তি, চলছে না 30C- 30C/1 রুটের বাস
চলছে না বাসImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 04, 2026 | 4:41 PM
Share

কলকাতা: লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একের পর এক বাস। গড়াচ্ছে না ৩০ সি, ৩০সি/১ রুটের বাসের চাকা। যার জেরে চরম হয়রানি যাত্রীদের। স্থানীয় কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ,বাস রাখলে ভাঙচুর করা হবে। জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। এমনকী, বাস চালক এবং কনডাক্টরদেরও মারধর করার হুমকি দেয় অভিযুক্ত যুবকরা। এরই প্রতিবাদে শনিবার দুপুর থেকে বাস বন্ধ রাখলেন মালিকরা এবং কর্মচারীরা। প্রায় ২৪ ঘণ্টা গুরুত্পূর্ণ ৩০সি এবং ৩০সি রুটের বাস বন্ধ থাকায় হয়রানি নিত্য যাত্রীদের।

রবিবার দুপুরে হাতিয়ারা ৩০সি বাস স্ট্যান্ডে সারিসারি বাস দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাস না পাওয়ায় হয়রানি নিত্যযাত্রীদের। বাস চালকদের থেকে জানা গেল বাস বন্ধ আছে। ৩০সি/৩০সি/১ দুটি রুটের বাস বন্ধ। ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ এই রুট। কয়েকহাজার মানুষ এই বাসের ভরসায় যাতায়াত করেন। ৩০সি রুটের বাস হাতিয়ারা থেকে বাবুঘাট যায় লেকটাউন আর জি কর হাসপাতাল, শ্যামবাজার, চিত্তরঞ্জন ইভিনিউ হয়ে ধর্মতলা হয়ে বাবুঘাট। আর ৩০সি/১ রুটের বাস যায় হাতিয়ারা থেকে উল্টোডাঙ্গা, খান্না, শিয়ালদহ হয়ে ধৰ্মতলা হয়ে বাবুঘাট।

বাস মালিক ও ৩০সি বাস রুটের সম্পাদক অভিজিৎ ঘোষ জানিয়েছেন, রাস্তা জুড়ে ইট বালি পাথরের ব্যবসা চলছে। তারাই বাস বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশাসনকে জানিয়েছি। বাস ভাঙচুর এবং বাস জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাই বাস বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রশাসনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি আমরা। তারা কী ব্যবস্থা নেয় দেখা যাক। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী এবং ছোট গাড়ি পার্কিং করে তারাই বাস বন্ধ করে দিয়েছে। হুমকি দিয়েছে ড্রাইভার কন্ট্রাক্টরদের মারধর করা হবে। বাস জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়ে গেছে।”