
কলকাতা: প্রায় বারো ঘণ্টা। অবশেষে থামল আগুন। তবে আগুন নিভলেও বাড়ছে নিখোঁজের সংখ্যা। পরিবার পরিজনরা হা করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁরা জানেন না আদৌ বেঁচে ফিরবে কি না তাঁদের পরিবারের সদস্য। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল অবধি এখনও খোঁজ মেলেনি প্রায় কুড়ি জনের।এ দিকে, সময় যত গড়িয়েছে ক্ষোভ তত বেড়েছে সাধারণ মানুষের। এখনও পরিবারের লোকজনের কোনও খোঁজ না পাওয়ায় ক্রমেই রাগ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।
এক ব্যক্তি বলেন, “একটাই সমাধানের রাস্তা। দশটা জেসিবি দিয়ে ভাঙচুর করতে হবে। ধোঁয়াটা বেরিয়ে যাবে। আমরা বাড়ির লোকগুলিকে উদ্ধার করতে পারব। পুলিশকে বারবার বলছি, পুলিশ বলছে গাড়ি আসছে। সকাল আটটা থেকে বেলা পাঁচটা পর্যন্ত গাড়ি আসতে পারল না। জেসিবি আসতে এতক্ষণ? ওদরে লাগবে না। আমরাই উদ্ধার করব।”
এখানে উল্লেখ্য, রবিবার রাতে আগুন ধরে যায় আনন্দপুরে। ১০ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে জ্বলেছে আনন্দপুরের ওই কারখানা। অগ্নিকাণ্ডের জেরে এখনও অবধি মৃত্যু হয়েছে তিন কর্মীর। নিখোঁজ ১৬ জন। এবার সেই আনন্দপুরেই পৌঁছলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা টালিগঞ্জের বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস। কিন্তু দেখা যায়নি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে। এ নিয়ে চলেছে বিস্তর কাঁটাছেড়া। তবে নিখোঁজদের পরিবারের লোকজন তাঁদের না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। যদিও বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “ধোঁয়াটা বের করতে হবে। এত তাড়াতাড়ি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। পাশাপাশি, দু’টো গোডাউন। সেখানে এমন ভয়াবহ আগুন। আমি বলতে পারি, অনেকটা তাড়াতাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। কিন্তু ধোঁয়াটা বের করা কঠিন।”