
কলকাতা: প্রায় ২ মাস হতে চলল রাজ্য বিজেপির সভাপতি হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। এখনও বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি তৈরি হয়নি। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার জন্য রবিবার দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সোমবার বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের সঙ্গে কলকাতা ফেরার কথা তাঁর। আর তারপরই ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার ও বুধবার) বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক। ওই দুইদিনের বৈঠক নিয়েই এখন জোর জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপিতে। সাংগঠনিক বৈঠকে সুনীল বনসলরা কী বার্তা দেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
জানা গিয়েছে, ২ দিনের মধ্যে একদিন সল্টলেক সেক্টর ফাইভের একটি হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক হবে। অন্যদিন সেক্টর ফাইভে দলীয় দফতরে বৈঠক হওয়ার কথা। বুথ সশক্তিকরণ, উৎসব পর্ব ও দলীয় নেতা কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। আর কয়েকমাস পরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই সাংগঠনিক বৈঠকে আগামী কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
২ দিনের এই সাংগঠনিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল ছাড়াও অমিত মালব্য ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের থাকার কথা। বৈঠকে দেখা যেতে পারে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। গতকালই তিনি রাজ্য বিজেপির নির্বাচন কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের পর তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কিছু অলিখিত দায়িত্ব দিয়েছে দল, সেটাই তিনি পালন করছেন।
নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন (১৭ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে দেশজুড়ে কর্মসূচি নিয়েছে পদ্ম শিবির। পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে সেই কর্মসূচি পালন করা হবে, তা নিয়েও ২ দিনের সাংগঠনিক বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। বিহারের পর বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) শুরু করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। আর তা শুরু হলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজকর্মে দলীয় নেতা-কর্মীদের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া দলের সেল ও মোর্চাগুলিকে নিয়ে আলাদা করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর রাজ্য বিজেপির প্রধান কার্যালয় ৬ মুরলীধর সেন লেনে দলের কর্মীদের অভাব অভিযোগ শুনবেন শমীক।