Subrata Gupta: শুধু সংখ্যালঘুদের নামেই যাচ্ছে নোটিস? কী যুক্তি বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর

Election Commission: এদিকে, মৃত্যুর দায় নিতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী বারবার যে সওয়াল করছেন, সেই প্রসঙ্গে সুব্রত গুপ্ত বলেন, "যে বিএলও-দের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন কারণে। আমরা তাঁদের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট চেয়েছি, যাতে পরিবারকে সাহায্য করা যায়। শুনানিতে আসা-যাওয়ার পথে কারও কারও মৃত্যু হয়েছে। তবে শুনানির জন্য মারা গিয়েছে, এমন রিপোর্ট আমরা পাইনি এখনও। পেলে কমিশনের সঙ্গে কথা বলব।"

Subrata Gupta: শুধু সংখ্যালঘুদের নামেই যাচ্ছে নোটিস? কী যুক্তি বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর
Image Credit source: PTI

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 23, 2026 | 7:28 PM

কলকাতা: কমিশনের দফতরের সামনে সংখ্যালঘুদের বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। তৃণমূলের বিধায়ক মনিরুল ইসলাম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেন, “কারও নাম রাম শুনলে কোনও নথি লাগছে না। রহিমের নাম শুনলেই চোদ্দো গুষ্টির খতিয়ান চাইছেন!” বিডিও অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে এমন অভিযোগ তুলেছিলেন ফরাক্কার বিধায়ক। সেটা কি সত্যি? এসআইআর প্রক্রিয়ায় এরকমটা হওয়া সম্ভব কি না, সে বিষয়ে মুখ খুললেন নির্বাচন কমিশনের তরফে বাংলায় নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।

সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব খর্ব করার প্রয়াস কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে TV9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুব্রত গুপ্ত বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এটা সত্যি নয়। এটা অটোমেটিক সিস্টেম। বেছে বেছে নোটিস দেওয়া সম্ভব নয়। আর ইলেকটোরাল রোলে কোথাও কোনও ধর্মের উল্লেখ নেই।”

তবে কেন অভিযোগ উঠছে যে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদে সংখ্যালঘুদের ৩০ শতাংশকেই নোটিস দেওয়া হয়েছে? এই পরিস্থিতির ব্য়াখ্যাও দেন সুব্রত গুপ্ত। তিনি বলেন, “যেখানে যে জনগোষ্ঠী বেশি আছে, সেখানে তারাই বেশি নোটিস পাবে। এটাই স্বাভাবিক। যেমন মালবাজারে গিয়ে দেখেছে হিয়ারিং-এ যারা নোটিস পেয়েছে, তাদের ৮০ শতাংশই আদিবাসী, আবার কোচবিহারে বেশিরভাগ রাজবংশীরা নোটিস পেয়েছে।”

এদিকে, মৃত্যুর দায় নিতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী বারবার যে সওয়াল করছেন, সেই প্রসঙ্গে সুব্রত গুপ্ত বলেন, “যে বিএলও-দের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন কারণে। আমরা তাঁদের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট চেয়েছি, যাতে পরিবারকে সাহায্য করা যায়। শুনানিতে আসা-যাওয়ার পথে কারও কারও মৃত্যু হয়েছে। তবে শুনানির জন্য মারা গিয়েছে, এমন রিপোর্ট আমরা পাইনি এখনও। পেলে কমিশনের সঙ্গে কথা বলব।”