Supreme Court on SSC: যোগ্য হয়েও মিলল না বয়সের ছাড়! SSC মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court News: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহ জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের নিয়োগপ্রক্রিয়া যাঁরা সুযোগ পাননি বা যোগ্য় কিন্তু চাকরি পাননি, তাঁরা নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বয়সের ছাড় পাবেন। এদিকে সোমবার সেই নির্দেশকেই স্থগিত করল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ।

Supreme Court on SSC: যোগ্য হয়েও মিলল না বয়সের ছাড়! SSC মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
দেশের শীর্ষ আদালত Image Credit source: Getty Image

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Jan 19, 2026 | 1:16 PM

নয়াদিল্লি: স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি-র মামলায় বয়সের ছাড় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল, এবার তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যাঁরা সুযোগ পাননি বা যোগ্য কিন্তু চাকরি পাননি, তাঁরা নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বয়সের ছাড় পাবেন। এদিকে সোমবার সেই নির্দেশকেই স্থগিত করল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ।

মূলত, যোগ্য কিন্তু পরীক্ষায় ইন্টারভিউ পর্বে নির্বাচিত না হওয়া প্রার্থীদের জন্য নতুন করে চাকরির পরীক্ষায় বসার সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতী নয় সুপ্রিম কোর্ট। আর এদিন এই পর্যবেক্ষণকে তুলে ধরেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চাপিয়েছে শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ।

গত বছরের এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সেই সময় শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, যাঁরা দুর্নীতিতে যুক্ত নন বা দাগী নন, তাঁরা বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন এবং নতুন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছিল, এদের বেশির ভাগই ২০১৬ সালের প্যানেলে ওয়েটিং লিস্টে ছিলেন। অর্থাৎ যোগ্য প্রার্থী হলেও নম্বরের কারণে ইন্টারভিউতে ডাক তাঁরা পাননি। তাই নয়া নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তাঁরা।

সেই সময় এই মামলার শুনানি হয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। যার ভিত্তিতে গত ১২ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তাঁদের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপরেই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার শীর্ষ আদালত এই মামলার সকল পক্ষকেই নোটিস জারি করেছে। শুধুমাত্র যে সকল যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা কর্মরত অবস্থায় চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই বয়সের ছাড় প্রযোজ্য় রেখেছে শীর্ষ আদালত। পরবর্তী শুনানি দু’সপ্তাহ পরে।

এদিন শুনানি পর্বে রাজ্য়ের হয়ে সওয়াল করছিলেন সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়সের ছাড়কে মাথায় রেখে দু’জনকে সুযোগ দেওয়া হলে, নতুন করে মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে বলে মত তাঁর। যা দিনশেষে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়াকেও অনিশ্চয়তা এবং নানাবিধ সমস্যার মুখে ফেলতে পারে। কল্যাণের কথায়, ‘বিচারপতি অমৃত সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, এদের ইন্টারভিউতে ডাকতেই হবে। সেই নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আর সর্বোপরি ওই নিয়োগপ্রক্রিয়া তো যারা চাকরি করত তাদের জন্য। এনারা তো এই ক্যাটাগরিতে পড়ছেন না।’ অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ দিনশেষে রাজ্যের জন্য একটা বড় স্বস্তির জায়গা তৈরি করছে।