CM Suvendu Adhikari-TV9Bangla Conclave: কেন্দ্র-রাজ্যশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে শিক্ষায় বাংলার স্থান ৩১-এ, ১০র মধ্যে আসতে সময় লাগবে ৩ বছর: শুভেন্দু
CM Suvendu Adhikari-TV9Bangla Conclave: মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে শিক্ষার সামগ্রিক মূল্যায়নে রাজ্য বর্তমানে ৩১ নম্বরে অবস্থান করছে। দেশের প্রথম ১০টি রাজ্যের তালিকায় নিয়ে আসতে অন্তত ৩ বছর সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতা: রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার দৈন্যদশা দূরীকরণ এবং আগামী দিনে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে একাধিক বড় পদক্ষেপের কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। TV9 বাংলা কনক্লেভে এসে তিনি জানান, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সুশাসন, সশক্তিকরণ, সেবা, সুরক্ষা ও সমৃদ্ধি—এই আটটি মূল স্তম্ভকে ভিত্তি করে পেশ করা হয়েছে আট মাসের বাজেট।
বাংলায় শিক্ষার পরিবেশ, স্কুল ও উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
-
বাজেট বরাদ্দ:
বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে ৪৪,৯৪৮.২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।উচ্চশিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৭,১৬৮.৩০ কোটি টাকা।
-
শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান চিত্র ও মূল্যায়ন:
মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে শিক্ষার সামগ্রিক মূল্যায়নে রাজ্য বর্তমানে ৩১ নম্বরে অবস্থান করছে। দেশের প্রথম ১০টি রাজ্যের তালিকায় নিয়ে আসতে অন্তত ৩ বছর সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
-
উচ্চশিক্ষায় নতুন পরিকল্পনা:
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখন লক্ষ্য হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ বা মহারাষ্ট্রের ধাঁচে বাংলার স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন করা। পরিকাঠামো, লাইব্রেরি ও গবেষণাগারসহ নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়কে এই মানোন্নয়নের জন্য চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
-
স্কুল পরিকাঠামোর বর্তমান অবস্থা:
রাজ্যে মোট ৮০,৩৭৫টি সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রাথমিক, আপার-প্রাথমিক ও হাইস্কুল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৯,০০০ স্কুলে আলো, পাখা, শৌচাগার এবং মিড-ডে মিলের পর্যাপ্ত রান্নাঘরের সুবিধা নেই।
-
উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ ও সংস্কার:
জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) আওতায় সরকারি অনুদান এবং পিএসইউ -র সহযোগিতায় সব স্কুল ও আইসিডিএস সেন্টারে বিশুদ্ধ পানীয় জল, উন্নত শৌচাগার, সোলার আলো ও আধুনিক কিচেন প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এসি এখনই সম্ভব না হলেও সমস্ত স্কুলে পাখা সুনিশ্চিত করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্ধ হয়ে থাকা ‘কম্পোজিট গ্র্যান্ট’ (স্কুলের দৈনন্দিন খরচ, কার্বলিক অ্যাসিড ও ব্লিচিং ক্রয়ের ফান্ড) পুনরায় দেওয়া শুরু হয়েছে।মিড-ডে মিলের মান ও পুষ্টি বাড়াতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে, যাতে ডিম ও পনিরের মতো প্রোটিনযুক্ত খাবার দেওয়া সম্ভব হয়।
