
কলকাতা: রাজ্যে আলাদা আলাদা গ্যাং কাজ করছে। ট্যাব কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে এমনই সব তথ্য। কোথায় গায়েব হয়ে যাচ্ছে পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা? স্কুলেরই ভুল নাকি অন্য কারও হাত আছে এর পিছনে? ২০১৮ সালে কেরলে ‘বাবর’ নামে একজন ধরা পড়েন। সেখানেও ন্যাশনাল স্কলারশিপের টাকা হাতানোর অভিযোগ ওঠে। ওই একই কায়দায় রাজ্যে ট্যাবের টাকা হাতানো হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা। ট্যাবের টাকার কেলেঙ্কারিতে বাবরের হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছে পুলিশ। তাঁকে খুঁজছে রাজ্য পুলিশ।
এদিকে, চোপড়ায় আরও এক মাথার খোঁজ চলছে। যার সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরে ধরা পড়া একটি গ্যাং-এর যোগ রয়েছে। ওই ব্যক্তি পূর্ব মেদিনীপুরের গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করছিল বলে অভিযোগ। পূর্ব মেদিনীপুরের ওই গ্যাং ঝাড়গ্রাম ও উত্তরবঙ্গে ট্যাবের টাকা হাতিয়েছে বলে অভিযোগ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় যে দল পড়েছে সেটা আলাদা একটি গ্যাং বলে মনে করছে রাজ্য পুলিশ।
ট্যাব কাণ্ডে আজ অবধি ৭৯৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। রাজ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ অবধি মোট মামলার সংখ্যা ১৪০ টি।
ট্য়াব জালিয়াতিকাণ্ডে পুলিশের জালে দিনকয়ের আগেই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার থেকে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। শিলিগুড়ি থেকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। ধৃত তিন জনের মধ্যে ছিলেন একজন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকও।