CM Suvendu Adhikari on Teachers Recruitment: ‘রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না কোনও শিক্ষক’, SSC-তেই শর্ত জুড়ছে শুভেন্দু-সরকার
CM Suvendu Adhikari: এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে।"

কলকাতা: বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। শিক্ষকরা আর প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। আজ, বুধবার (২৮ অক্টোবর) নবান্নের সভাঘর থেকে এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এ দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটা হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ। গত ক্যাবিনেটে ৪৫ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছিল। আজকে আর্বান ডেভলপমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং সহ মিলিয়ে ১১৯৯ নতুন পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। এগুলি আমরা দ্রুত বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করব। মোট এখনও অবধি প্রায় কয়েকটা ক্যাবিনেট মিলিয়ে ৬০ হাজারের মতো রিক্রুটমেন্ট করেছি। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।”
রাজনীতি করতে পারবেন না শিক্ষকরা-
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতবর্ষের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে থাকে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজকে ক্যাবিনেট বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকের পর থেকে যে শিক্ষক নিয়োগ হবে, তারা অন্যান্য রাজ্যের মতোই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অর্থাৎ পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা, বিধানসভায় লড়তে পারবেন না। প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না।”
যারা রাজনীতি করতেন, তাদের কী হবে?
যে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের ছাড় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তারা যে স্বাধীনতা পেয়েছেন, তাদের সেই অধিকার খর্ব করছি না। আজকের পর থেকে যা নিয়োগ হবে, তারা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। এটা আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলাম। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান বাডুক। ৩৪ বছরের কমিউনিস্ট ও ১৫ বছরের দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেস , যাদের মাইন্ডসেট ছিল গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার, সেই জায়গা থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে, শিক্ষা প্রাঙ্গণ, শিক্ষা মন্দিরকে, শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, সেটা ফিরিয়ে আনা। এটি বড় উদ্যোগ।”
