Yuvasathi Scheme: মাত্র ৫ দিনেই বাংলায় যুবসাথী প্রকল্পে কত আবেদন জমা পড়ল জানেন? সংখ্যাটা শুনলে চমকে যাবেন! কোন জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন?

Yuvasathi Scheme: ১৫ তারিখ অর্থাৎ রবিবার শিবরাত্রির জন্য কলকাতার সব জায়গায় ক‍্যাম্প নাহলেও রাজ্য জুড়ে দেড় দিনে যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছিল ১৩ লক্ষ। আর ৫ দিন পরে শুক্রবার সেই সংখ্যা সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই মুর্শিদাবাদ আবেদনের দিক থেকে এগিয়ে । দ্বিতীয় এবং তৃতীয় জেলা হিসাবে আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনা । তবে পাহাড়ি জেলা কালিম্পঙে আবেদন সব থেকে কম বলেই প্রশাসনিক সূত্রের খবর ।

Yuvasathi Scheme: মাত্র ৫ দিনেই বাংলায় যুবসাথী প্রকল্পে কত আবেদন জমা পড়ল জানেন? সংখ্যাটা শুনলে চমকে যাবেন! কোন জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন?
যুবসাথী প্রকল্প (ফাইল ছবি)Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 20, 2026 | 10:51 PM

কলকাতা: ১৫ থেকে ২০ — গত ৫ দিনেই যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের সংখ্যা প্রায় ৪৫ লক্ষের কাছাকাছি! প্রশাসনিক সূত্রের খবর, প্রতিদিন অফলাইন এবং অনলাইন মিলিয়ে যুবসাথী প্রকল্পের জন্যই শুধু আবেদন জমা পড়ছে ৭ লক্ষের উপর! বিধানসভায় অন্তবর্তী বাজেটে ঘোষণা করা হয় বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য মাসে ১৫০০ টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়া হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত মাধ্যমিক পাশ যুবক-যুবতীরা আবেদন করতে পারবেন। এবং এপ্রিল মাস থেকেই এই টাকা পাবেন। ১৫ তারিখ অর্থাৎ রবিবার শিবরাত্রির জন্য কলকাতার সব জায়গায় ক‍্যাম্প নাহলেও রাজ্য জুড়ে দেড় দিনে যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছিল ১৩ লক্ষ। আর ৫ দিন পরে শুক্রবার সেই সংখ্যা সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই মুর্শিদাবাদ আবেদনের দিক থেকে এগিয়ে । দ্বিতীয় এবং তৃতীয় জেলা হিসাবে আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনা । তবে পাহাড়ি জেলা কালিম্পঙে আবেদন সব থেকে কম বলেই প্রশাসনিক সূত্রের খবর ।

শুক্রবার ধরা পড়ে এক ব্যতিক্রমী ছবিও! হুগলিতে আরামবাগ টাউন মহিলা মোর্চার কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে শুক্রবার সকালে দেখা গেল যুব সাথীর ফর্ম ফিল আপের লাইনে। গোঘাট ২ নম্বর ব্লক অফিসে দেখা গেল এমনই ছবি। এই প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে সাধুবাদও জানিয়েছেন তিনি। কার্যত প্রশংসাও শোনা গেল বিজেপি নেত্রীর মুখে।

ক্যামেরার সামনে যদিও তিনি দাবি করেন যে তাঁর ছেলের জন্য তিনি এই ফর্ম ফিল আপ করছেন, কিন্তু ফর্মের ছবিতে দেখা যায় গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজেরই নাম রয়েছে। ফর্ম জমা দেওয়ার পর তিনি বলেন, “কত শিক্ষিত যুবক যে এখনও বেকার আছেন, তা নথিভুক্ত থাকা দরকার। সবার জানা দরকার।”