Central Force: তৃণমূলের পার্টি অফিসে ঢুকে ক্যারাম খেলছিল ৩ জওয়ান, শোনা মাত্রই কঠোর পদক্ষেপ কমিশনের

Election Commission: শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা।

Central Force: তৃণমূলের পার্টি অফিসে ঢুকে ক্যারাম খেলছিল ৩ জওয়ান, শোনা মাত্রই কঠোর পদক্ষেপ কমিশনের
চাপানউতোর রাজনৈতিক আঙিনাতেওImage Credit source: Social Media

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 29, 2026 | 10:14 AM

বীরভূম: তপ্ত বাংলাকে ঠান্ডা করতে ওদের আনা হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখা, সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়াই তাঁদের প্রধান কাজ। কিন্তু সেই গুরুদায়িত্ব ভুলে একেবারে শাসক দলের পার্টি অফিসে ঢুকে ক্যারাম খেলায় মেতে উঠলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা! দেখা মাত্রই অ্য়াকশন কমিশনের। কর্তব্য গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগে তিন CRPF জওয়ানকে তৎক্ষণাৎ সাসপেন্ড করার নির্দেশ। 

ঠিক কী ঘটেছিল?

সূত্রের খবর, শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সেই খেলা। 

সিউরির এই খবর জানাজানি হতেই মুহূর্তের মধ্যে তা পৌঁছে যায় নির্বাচন কমিশনের কানে। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন ‘উদাসীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণে ক্ষুব্ধ কমিশনের কর্তারা। তড়িঘড়ি বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর ওই তিন জওয়ানকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত বা ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিংস’ শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এর আগেও বিএসএফ-এর কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে যে কোনও শিক্ষাই নেওয়া হয়নি, বীরভূমের ঘটনা তারই প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবেই কালিমালিপ্ত না হয়, সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সোজা কথায়, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে জওয়ানদের এই ধরণের উপস্থিতি বাহিনীর পেশাদারিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। সে কারণেই দ্রুত এই কঠোর পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবারের এই ঘটনার পর জেলার অন্যান্য প্রান্তে মোতায়েন থাকা জওয়ানদের সতর্ক করা হয়েছে। ভোটের আবহে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন খামখেয়ালিপনা যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, এই সাসপেনশনের মাধ্যমে কমিশন তা স্পষ্ট করে দিল।

Follow Us