Bratya Basu news: শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর ব্রাত্য বসু ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলেন, কেন? নিজেই জানালেন সেকথা

সেই সময়ের নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে ব্রাত্য বলেন, "এরপর দেখছি ২০১৬ সালের উত্তীর্ণরা, কেউ বলছেন আমরা টেট প্রার্থী নই। আমি তো বুঝতে পারছি না এরা কারা। তাঁরা ঘনঘন-আমার বাড়ি অফিসের সামনে বসতে শুরু করল। তারপর দফতরে গেলাম, কাজ শুরু করলাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে রদবদল করলাম তখন বুঝলাম আপাতত আমার কাজ গোলকিপারের স্ট্রাইকারের নয়। যত কম গোল খেতে পারি ততই ভাল।

Bratya Basu news: শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর ব্রাত্য বসু ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলেন, কেন? নিজেই জানালেন সেকথা
ব্রাত্য বসু, তৃণমূল প্রার্থীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Mar 31, 2026 | 8:34 PM

কলকাতা: তিনি এ রাজ্যের অত্যন্ত এক গুরুত্বপূর্ণ দফতর দায়িত্ব সামলেছেন। এমন একটি দফতর যেখানে বিতর্কের অন্ত নেই। এই দফতরের অন্য এক মন্ত্রী (পার্থ চট্টোপাধ্যায়) জেলে গিয়েছেন। তদন্ত করে গুচ্ছ-গুচ্ছ অভিযোগ উঠে এসেছে। এই সব কিছু নিজের চোখে তিনি দেখেছেন, তারপর সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কথা হচ্ছে দমদম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে নিয়ে। রাজ্যে ফের নির্বাচন।  যদি তাঁকে আবারও শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয় তবে কি তিনি তা নেবেন? টিভি ৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর এবং বিজনেস হেড অমৃতাংশু ভট্টাচার্যকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এরই উত্তর দিয়েছেন দমদমের তৃণমূল প্রার্থী। 

তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “এই প্রশ্নের উত্তর হয় না। এই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর উপর।” তবে এই দফতরটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং বলে জানিয়েছেন ব্রাত্য। শুধু তাই নয়, তিনি এও বলেন, “২০২১ সালে জিতে আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন আমায় এই বিভাগের দায়িত্ব দেন, প্রথম সাতদিন তো মনে হল আমি ডিপ্রেশনে চলে গেলাম। মোবাইল ফোনে হাজার-হাজার মেইল ঢুকছে, হাজার-হাজার হোয়াটস অ্যাপ।”

সেই সময়ের নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে ব্রাত্য বলেন, “এরপর দেখছি ২০১৬ সালের উত্তীর্ণরা, কেউ বলছেন আমরা টেট প্রার্থী নই। আমি তো বুঝতে পারছি না এরা কারা। তাঁরা ঘনঘন-আমার বাড়ি অফিসের সামনে বসতে শুরু করল। তারপর দফতরে গেলাম, কাজ শুরু করলাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে রদবদল করলাম তখন বুঝলাম আপাতত আমার কাজ গোলকিপারের স্ট্রাইকারের নয়। যত কম গোল খেতে পারি ততই ভাল। ডিফেন্স ছিল বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে। এগুলো পাঁচ বছরে ফেস করতে হয়েছে। এটা চ্যালেঞ্জিং।”

Follow Us