AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee: গায়ের জোরে যা ইচ্ছে করে যান, তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না: মমতা

Mamata Banerjee on TMC Crisis: তৃণমূলের অন্দরেই যখন ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে, তখন এদিন মমতা বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেসকে আপনারা ভাঙতে চান? যতই চেষ্টা করুন, তৃণমূল কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে। আর যাঁরা নিজেদের সম্পদ বাড়াতে বড় বড় কথা বলছেন, আমি নিজে আদালতে গিয়ে সওয়াল করেছি। মনে রাখবেন, কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদকে টাকা দিয়ে কিংবা ভয় দেখিয়ে ভেঙে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় না।"

Mamata Banerjee: গায়ের জোরে যা ইচ্ছে করে যান, তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না: মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: Social Media
| Updated on: Jun 01, 2026 | 5:22 PM
Share

কলকাতা: তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোল ক্রমশ বাড়ছে। একের পর এক নেতা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। বিধায়কদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে ৬০ জন অনুপস্থিত থাকছেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপিকে নিশানা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “গায়ের জোরে যা ইচ্ছে করে যান, তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না।”

কী কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

কয়েকদিন আগেই মমতা জানিয়ে দিয়েছেন, এবার থেকে সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। তাঁর যা বলার, সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বলবেন। এদিন দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ ভিডিয়ো করে মমতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, দল ভাঙুন, অমুক লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রথম ফোনটা পুলিশের তরফ থেকে যাচ্ছে। দ্বিতীয়টা বিজেপির অফিস থেকে। এটা গণতন্ত্রের নমুনা? বিধায়কদের ভয় দেখানো হচ্ছে। কালকে আমাকে চারজন বিধায়ক জানিয়েছে, তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। ইডি ধরবে। সিবিআই ধরবে। বাড়বাড়ন্তের সীমা থাকা দরকার।”

‘তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না’

তৃণমূলের অন্দরেই যখন ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে, তখন এদিন মমতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসকে আপনারা ভাঙতে চান? যতই চেষ্টা করুন, তৃণমূল কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে। আর যাঁরা নিজেদের সম্পদ বাড়াতে বড় বড় কথা বলছেন, আমি নিজে আদালতে গিয়ে সওয়াল করেছি। মনে রাখবেন, কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদকে টাকা দিয়ে কিংবা ভয় দেখিয়ে ভেঙে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় না। গায়ের জোরে যা ইচ্ছে করে যান, তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না। বাংলার মানুষের মাথা নত করা যাবে না। যারা বাংলার ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, আমি ছাত্র সমাজকে আহ্বান জানাব, আপনারা কেন প্রতিবাদ করছেন না? আপনারা সমাজের মেরুদণ্ড। আমরাও ছাত্র আন্দোলন করে এসেছি। যেখানে অন্যায় দেখেছি, আমরা প্রতিবাদ করেছি।”

এরপরই তিনি অভিযোগ করেন, “আমাদের কর্মীদের একটা মিছিল করতে দিচ্ছে না। মিটিং করতে দিচ্ছে না। বাড়ি থেকে বেরতে দিচ্ছেন না। আমাদের আড়াই হাজার পার্টি অফিস ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। কর্মীদের মারা হচ্ছে। বাংলাকে টার্গেট করে হারিয়েছেন। আমার কাছে খবর আছে, কীভাবে ১৭৭ আসনে আপনারা রিগ করেছেন। আমাদের রাজারহাটের তাপস জিতে গিয়েছিল। পরেরদিন রিকাউন্টিংয়ের নাম করে জোর করে হারিয়েছে। আমি তো মানি না এই জেতা।” 

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা নিয়ে মমতা বলেন, “অভিষেককে যারা বাঁচাতে গেল, তাদের গ্রেফতার করলেন। বাইরে থেকে আগের দিন লোক এনেছিলেন। স্থানীয় মানুষ তো বেশি ছিল না। ভিডিয়ো রেকডিং রয়েছে। হেলমেট যদি না থাকত, এমনভাবে পাথর ছুঁড়েছিল, স্পট ডেড হয়ে যেত। আমরা আপনাদের দুধে ভাতে রেখেছিলাম। আর আপনারা আজকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছেন। এতে কি আপনাদের সুনাম হচ্ছে? আয়নায় একটু নিজেদের মুখটা দেখুন।”

মমতা আরও বলেন, “আমরা শিক্ষকদের তো নিয়োগ করে দিতাম। আপনারাই তো আটকেছেন। প্রত্যেকেই যাতে চাকরি পায়, তার ব্যবস্থা করেছিলাম। আরজি কর নিয়ে আন্দোলনের সময় আমি ছুটে গিয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের ধরনা মঞ্চে গিয়েছি। তিন-চারটে মিটিং করেছি। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের সময় অনশন করেছি, সরকারের কেউ আসেনি।”

Follow Us