e

কলকাতা: এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিধানসভা ভবানীপুরের একটি শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে হুলস্থুল-কাণ্ড কাউন্সিলরের। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য অসীম বসু শরৎ বোস রোডের উপরে থাকা একটি বেসরকারি স্কুলে শুনানি কেন্দ্রে চলে আসেন। আর তারপরই এই ঘটনা।
বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা শুনানিতে আসা মানুষজনের কাছ থেকে নথি নিচ্ছে কিন্তু কোনও রকম রিসিপ্টের পাল্টা দিচ্ছে না। এই অভিযোগ মতোই কাউন্সিলর শুনানি কেন্দ্রে চলে আসেন। এরপর নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এমনকী রিসিপ্ট না দিলে কোনও নথি না জমা করার নির্দেশ দিতে থাকেন শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষকে বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনকে বলতে থাকেন, এভাবে শুনানি কেন্দ্রে আসা যায় না। বিষয়টি ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করা যেত। এতে কাজের দেরী হচ্ছে বলে নির্বাচন কমিশনার আধিকারিকরা জানাতে থাকেন।
যদিও, কাউন্সিলর সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে দাবি করে চিৎকার-চেঁচামেচিতে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে চলে আসে পুলিশ। এরপর অসীম বসুর চিৎকারে সঙ্গ দেন শুনানিতে অংশ নেওয়া বেশ কিছু সাধারণ মানুষও। তাঁরাও দাবি করেন, নথি জমা দেয়ার পর রিসিপ্ট না পেলে কীভাবে বুঝব নথি জমা হয়েছে। আর এই বাগ-বিতণ্ডা ঘিরে রীতিমতো হইচই বেধে যায় মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রের এই শুনানি কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা এরপর পুলিশের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও, কাউন্সিলর জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ শুনানি চলবে তিনি এভাবেই এই কেন্দ্রের গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবেন।
স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদ সদস্য অসীম বসু বলেন, “কালকে উনি কীভাবে প্রমাণ করবেন কী কী ডকুমেন্ট দিয়েছেন? পরিষ্কার করে লিখিয়ে আনুন। নয়ত হিয়ারিং বন্ধ করে দেব। সুপ্রিম কোর্ট তো বলেছে রিসিপ্ট কপি দিতে তারপরও কেন কারচুপি চলছে?”