
কলকাতা: ভোট আসতেই সিঙ্গুরকে নিয়ে ঘুঁটি সাজাতে ব্যস্ত শাসকদল। আন্দোলনের মাটি বীরভূম থেকে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬৯৪ টি পরিষেবার শিলান্যাস করেছেন। গতকাল শুধু মুখ্য়মন্ত্রী নন, উপস্থিত ছিলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দীপক অধিকারী। সেখান থেকে এক প্রকার ভোটের টার্গেট বেঁধে দিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হুগলির সাংসদ গতকাল প্রথমে বলেন, “সবাই ভালো আছেন তো?” তিনি তারপর লড়াইয়ের বার্তা দেন। বলেন, “এখন থেকে লড়াই শুরু। বাংলার দাপট মানুষ এখনও দেখিনি। একদিকে ১০ কোটি লোক। অন্য দিকে বিজেপি। এজেন্সি। যাঁরা বলছেন বাংলা বলে কোনও ভাষা নেই। আমরা লড়ব সবাই মিলে।”
এরপর তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সাংসদ। আপনাদের সঙ্গে আমার বারবার দেখা হবে। আমরা আজ দিদির কথা শুনতে এসেছি। শুধু একটা কথা বলব ২০১১ আসন ছিল ১৮৫, ২০২১ আসন ছিল ২১৫, আর ২০১৬ সালে আসন ছিল ২১৬, আর ২০২৬ সালে….টার্গেট বুঝতে পারছেন তো কী হতে চলেছে? রেকর্ড হবে।” এখানে উল্লেখ্য, গতকাল এই সিঙ্গুরে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে সেখানে শিল্প হবে কি হবে না সেই নিয়ে কোনও আশ্বাস দিতে দেখা দেয়নি তাঁকে। তবে গতকালের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোড়া শিল্পের কথা ঘোষণা করলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৮ একর জমির উপর ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে সিঙ্গুর অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়়ে তোলা হয়েছে। ২৮টি প্লটের মধ্যে বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে ২৫টি। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কৃষিও চলবে, শিল্পও চলবে, কৃষিজমি দখল করে নয়।” এছাড়াও তিনি বলেছেন, আর একটা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৭৭ একর জমিতে প্রাইভেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।