Election Commission: তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর-র নির্দেশ কমিশনের, দেওয়া হল ‘ডেডলাইন’
Trinamool MLA Monirul Islam: এদিকে কমিশনের নির্দেশের পরেই তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে বিজেপি। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলছেন, “এটা কমিশনের একদম সঠিক কাজ। এতে বোঝা গেল রাজ্য সরকার কীভাবে এই ধরনের হিংসায় সমর্থনকারীদের, সন্ত্রাসবাদী এমএলএ-কে কীভাবে মদত দিচ্ছে।”

কলকাতা: ফারাক্কায় বিডিও অফিসে তাণ্ডবের ঘটনায় কড়া নির্বাচন। তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর-র নির্দেশ। বিকাল ৫টার মধ্যে এফআইআর করতে হবে জেলাশাসককে। তারপর তা জানাতে হবে কমিশনকে। পাল্টা মণিরুল বলছেন, আইন আইনের পথে চলবে। অভিযোগ, বিডিও অফিসে কার্যত তাণ্ডব চালানো হয়। চেয়ার-টেবিলে ভাঙচুর তো চলেই সঙ্গে আক্রান্ত বন মাইক্রো অবজার্ভার।
এদিকে কমিশনের নির্দেশের পরেই তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে বিজেপি। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলছেন, “এটা কমিশনের একদম সঠিক কাজ। এতে বোঝা গেল রাজ্য সরকার কীভাবে এই ধরনের হিংসায় সমর্থনকারীদের, সন্ত্রাসবাদী এমএলএ-কে কীভাবে মদত দিচ্ছে। ৬ জন গ্রেফতার হল তাঁদের বিরুদ্ধে হালকা মামলা রুজু হল। তাঁরা ছাড়া পেল। তৃণমূল কংগ্রেস তাঁদের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়ে গেল।”
শুধু এখানেই থামছেন না রাহুল সিনহা। মণিরুলের বিরুদ্ধে সুর তিনি বলছেন, “ওরা বুঝিয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদ যাঁরা করবে তাঁরা তৃণমূলের মালা পাওয়ার যোগ্য। আর মণিরুলের নাম এফআইআরেই রইল না। যাঁর নেতৃত্বে হামলা হল, যিনি বারবার প্রকাশ্যে উত্তেজক বিবৃতি দিলেন তাঁকে গ্রেফতার তো দূরের কথা, এফআইআর লিস্টে মণিরুলের নাম নেই। এই যে অবস্থা চলছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে এই সরকারটাই এই হামলা করাচ্ছে। অতএব কমিশন যে পদক্ষেপ নিয়েছে আমরা সেই পদক্ষেপকে সমর্থন করি।” যদিও কমিশনের পদক্ষেপের পর মণিরুল ইসলাম বলছেন, “আইন আইনের পথে চলবে। বিচার ব্যবস্থা সবার জন্য খোলা আছে।”
প্রসঙ্গত, এর আগে একাধিকবার কড়া পদক্ষেপ পথে হেঁটেছে নির্বাচন কমিশন। এমনকী বিএলও-দের বিরুদ্ধে এফআইআর নিয়ে রাজনৈতিক মহল সরগরম হয়েছে। সেখানে এবার একেবারে বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর ঘটনায় চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাস্তব প্রয়োগ হবে তো? একের পর এক ঘটনায় প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।
