
কলকাতা: সোমবার ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিকের (Upper Primary) কাউন্সেলিং। ‘দুর্নীতিতে অভিযুক্ত’ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) কাছে নিজেদের প্রমাণ করাটা এবার নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। এবার পদে পদে অধিক সতর্ক এসএসসি। ১৩ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থীর স্কুল ‘অ্যালট’ হবে। তাঁরা চাকরি পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই কাউন্সেলিং ঘিরে এসএসসির প্রস্তুতি তুঙ্গে। এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “আমরা সমস্ত তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করেছি। প্যানেল থেকে স্কুলের নাম, কাউন্সেলিংয়ের খুঁটিনাটি, তালিকা সবই আপলোড করা হয়েছে। প্রত্যেক প্রার্থীর কাছে কললেটার পাঠানো হয়েছে।”
এক নজরে এ বারের কাউন্সিলং:
১. এসএসসির নব নির্মিত বহুতলে হবে উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সেলিং
২. প্রার্থীদের প্রথমেই যেতে হবে নথি পরীক্ষার টেবিলে
৩. স্নাতক থেকে ট্রেনিং, জাতি শংসাপত্র থেকে আধার কার্ড- সব খতিয়ে দেখবে SSC
৪. মূল মেধাতালিকা থেকে ক্রমান্বয়ে ডাকা হবে প্রার্থীদের
৫. সংরক্ষিত-অসংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধরনে হবে স্কুল পছন্দ করার প্রক্রিয়া
৬. অপেক্ষমান প্রার্থীদের জন্য কাউন্সেলিং চলাকালীন বিগ স্ক্রিনে থাকবে স্কুলের স্ট্যাটাস
৭. বিগ স্ক্রিন থেকেই জানা যাবে কোন স্কুল এখনও নির্বাচিত হয়নি তার তথ্য
সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “আদালত আমাদের সুপারিশপত্র দেওয়ার অনুমতি দেয়নি। আমরা অ্যাক্সেপ্টটেন্স লেটার দেবো। এই সম্মতিপত্র নিয়েই বাড়ি ফিরবেন প্রার্থী। তাতে উল্লেখ থাকবে তিনি কোন স্কুল বেছে নিয়েছেন। পরে আদালত যদি আমাদের অনুমতি দেয়, তাহলে পরে প্রার্থী এসে সুপারিশপত্র নেবেন।”
এর আগে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির একাধিক অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছে এসএসসি। তা থেকে এবার কতটা সতর্ক তারা? চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারের কথায়, “আমরা তো সমস্তটাই আদালতের কাছে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছি। আমাদের ডেটাবেসটাই জনসাধারণের কাছে গত তিনমাস ধরে প্রকাশিত। আমাদের যারা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তাঁরা আমাদের সিলেকশন প্রসেস সম্পর্কে যতটুকু জানেন, আমি যতটা জানেন, একজন প্রার্থী তার থেকে কিছু কম জানেন না। প্রতিটা আবেদনপত্র ৬ মাস আগে থেকে আপলোড হয়ে আছে। প্রত্যেক মেধাতালিকা, নম্বর, নম্বর বিভাজন আপলোড হয়ে আছে। সবটা সকলেই দেখছেন। তাই অভিযোগ ওঠার জায়গাটাই আমি দেখতে পাচ্ছি না।”