West Bengal Budget: ফেব্রুয়ারিতেই কীভাবে দিতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের ৫০০ টাকা? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা!

Lakshmir Bhandar Scheme: এই বাজেটে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, এই প্রকল্পের অধীনে মাসিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হল। আর এখানেই আসে একটা প্রশ্ন। এই বাজেট আসলে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। কিন্তু তার আগেই কোন অঙ্কে ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়তে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকার অঙ্ক?

West Bengal Budget: ফেব্রুয়ারিতেই কীভাবে দিতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের ৫০০ টাকা? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা!
কীভাবে বাড়বে বরাদ্দ?Image Credit source: PTI

Feb 05, 2026 | 7:19 PM

বিধানসভা ভোটের আগে প্রকাশিত হল রাজ্যের ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তী বাজেট। আর এই বাজেট পেশ হওয়ার পরই দেখা গিয়েছে আগামী অর্থ বছরে লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। তিনি তাঁর বাজেট ভাষণে বলেছেন, “ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২ কোটি ২১ লক্ষ মা-বোনেরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন। আবেদনের ভিত্তিতে আরও ২০ লক্ষ ৬২ হাজার মা-বোনকে আরি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।” অর্থাৎ, বর্তমানে প্রায় ২ কোটি ৪২ লক্ষ মানুষ পাবেন এই প্রকলের সুবিধা।

এই বাজেটে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, এই প্রকল্পের অধীনে মাসিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হল। আর এখানেই আসে একটা প্রশ্ন। এই বাজেট আসলে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। কিন্তু তার আগেই কোন অঙ্কে ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়তে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকার অঙ্ক?

অর্থনীতিবিদ সুপর্ণ পাঠক বলছেন, “যদি অলরেডি টাকা পাচ্ছেন, এমন মানুষ থাকে তাহলে বাজেটের সময় শুরুর আগেই টাকা বাড়ানো যেতে পারে। তবে হ্যাঁ, এতে বিধানসভার সম্মতি থাকতে হবে। এটাকে বলা হয় ডিম্যান্ড ফর গ্র্যান্টস।”

আবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “কেবলমাত্র লক্ষ্মীর ভান্ডারের ৫০০ টাকা বৃদ্ধি যে ভোট ব্যাঙ্কের জন্য করেছে, তা প্রমাণিত। আইসিডিএস, আশা, সিভিক, প্যারা-টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে বা অগস্টে হবে। তার মানে, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে ৫০০ টাকা ভিক্ষা ঢুকিয়ে দিয়ে মা-বোনদের ঘুরিয়ে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করব।”

যদিও তিনি এই কথাও বলেন, “এপ্রিলে বিজেপি সরকার এলে মে মাসে ক্যাবিনেটে ১ জুনের আগে আমরা ৩ হাজার টাকা করে দেব। আমাদের সংকল্প পত্র কমিটি সবটা দেখে টাকার অঙ্ক বাড়াতে পারে, কিন্তু কমাবে না।”