
বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তী বাজেটে একাধিক ক্ষেত্রে ভাতা বা সাম্মানিক বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ। এ ছাড়াও রাজ্যের যুবদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে ‘বাংলার যুব-সাথী’ প্রকল্পও। কিন্তু এই সবের পাশাপাশি দারুণ খবর রয়েছে রাজ্যের ক্ষেতমজুর ভাই-বোনদের জন্য।
বাজেট পেশ করার সময় ভাষণে রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভটাচার্য, কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কাজকর্মের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ক্ষেতমজুর ভাই-বোনদের জন্য ২ হাজার টাকার দুটি কিস্তিতে বার্ষিক মোট ৪ হাজার টাকা আর্থিক অনুমোদনের প্রস্তাব দেন।
তিনি এটাও বলেন, এই অনুদানের একটি কিস্তি রবি চাষের সময় ও অন্যটি খরিফ চাষের সময় দেওয়া হবে। যে সব ক্ষেতমজুর নিজের কৃষিজমি না থাকায় নতুন ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পের সুবিধা পান না বা যাঁরা ভাগচাষি হিসাবে নথিবদ্ধ নন, সেই সব যোগ্য ক্ষেতমজুররা এই নতুন প্রকল্পের আওতায় আসবেন। তাঁরাই পাবেন এই ৪ হাজার তাকা। আর সেই সব ক্ষেতমজুরদের নিয়ে তৈরি করা হবে একটি ডেটাবেস।