Nipah Virus: আবার ফিরল কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম, নিপা উপসর্গ দেখা দিলেই কী কী করতে হবে? গাইডলাইন স্বাস্থ্য দফতরের

Nipah Virus in West Bengal: গাইডলাইনে বলা হয়েছে, নিপা আক্রান্ত বা নিপার উপসর্গ থাকা রোগীর রক্ত, ফ্লুইড, হাঁচি-কাশি বা ড্রপলেটের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে 'হোম কোয়ারেন্টাইন' করতে হবে। নিপা আক্রান্ত বা উপসর্গ থাকা ব্যক্তির সঙ্গে বদ্ধ জায়গায় থাকা মানেই 'হাই রিস্ক' বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। 

Nipah Virus: আবার ফিরল কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম, নিপা উপসর্গ দেখা দিলেই কী কী করতে হবে? গাইডলাইন স্বাস্থ্য দফতরের
করোনার পর নিপা আতঙ্ক।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Jan 18, 2026 | 1:16 PM

কলকাতা: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নিপা সংক্রমণ। এবার নিপা সংক্রমণ নিয়ে গাইডলাইন প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। নিপা আক্রান্ত বা নিপার উপসর্গ থাকা রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি ও তাদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আলাদা গাইডলাইন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতরের ৫ সদস্যের চিকিৎসক দল। গাইডলাইনে কী কী বলা হয়েছে?

  • স্বাস্থ্য দফতরের গাইডলাইনে বলা হয়েছে, নিপা আক্রান্ত বা নিপার উপসর্গ থাকা রোগীর রক্ত, ফ্লুইড, হাঁচি-কাশি বা ড্রপলেটের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে ‘হোম কোয়ারেন্টাইন’ করতে হবে। নিপা আক্রান্ত বা উপসর্গ থাকা ব্যক্তির সঙ্গে বদ্ধ জায়গায় থাকা মানেই ‘হাই রিস্ক’ বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।
  • পাশাপাশি কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তির দিনে দুইবার চিকিৎসা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপসর্গ ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তিকে আলাদাভাবে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখতে হবে।
  • যাদের মধ্যে নিপার উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাদের নমুনা আরটি-পিসিআর টেস্টের জন্য দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। নিপা আক্রান্ত রোগীর পাঁচদিন অন্তর নমুনা পরীক্ষা করতে হবে বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।
  • একইদিনে যদি কোনও রোগীর দুইবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, তবেই ওষুধ বন্ধ এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া হতে পারে।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের পর এবার বাংলায় ছড়িয়েছে নিপা আতঙ্ক। বারাসতের দুই নার্সের শরীরে মিলেছে নিপা ভাইরাস। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন। একজন নার্স কোমায় চলে গিয়েছেন বলেই খবর। তবে আরেকজন চিকিৎসায় সাড়া  দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংও হয়ে গিয়েছে। ৮২ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফেও রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।  আপাতত খেজুর রস, ফলের রস, কাটা ফল এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা। করোনার মতোই ফের একবার মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে সতর্কতাবশে। সামান্য উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।