
কলকাতা: সিপিএমে বিদ্রোহ, নেপথ্যে স্বজনপোষণ? ভোটের মুখে চরম বেকায়দায় বঙ্গ বাম। প্রতীক উর পর্বে কড়া সমালোচনা। এর মধ্যেই রাজ্য কমিটির বৈঠক। সূত্রের খবর, একাধিক যুব নেতা ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রতীক উরের প্রশ্নেই একমত আরও অনেকে।
ভোটের দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও আগে থেকে মুখ ঠিক করে না সিপিএম, ফলে প্রার্থী ঘোষণার পরে বিধানসভা চিনতেই অনেক সময় চলে যাচ্ছে প্রার্থীর। আবার অন্যদিকে কিছু নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই বিধানসভা ভিত্তিক জনসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন। নেক নজরে থাকা নেতৃত্ব কেন এই সুবিধে পাবেন? প্রশ্ন তুলেছেন প্রতীক-উররা। প্রতীক উরের অভিযোগ ‘প্যায়ারেলালরা’ বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। তাতেও দলের অন্দরে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। এই একই প্রশ্নে একমত আরও অনেক যুব নেতা।
এদিকে গত লোকসভায় যাঁরা যেখানে প্রার্থী হয়েছিলেন, তাঁদের অনেককেই সেই নির্দিষ্ট এলাকায় আরও কোনও কর্মসূচি দেয়নি সিপিএম। ফলে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছেন তাঁরা, মত যুবদের একাংশের। সিপিএমের রাজ্য কমিটিতে এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে।
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলছেন, “সারা বছর আমাদের কর্মীরা মানুষের পাশে থাকে। ইনসাফ যাত্রা হোক বা বাংলা বাঁচাও যাত্রা, বা ক্ষেতমজুরদের আন্দোলন, সব কিছুতেই আমাদের কর্মীরা মানুষের পাশে থাকে। কিন্তু আমাদের পার্টির ক্ষেত্রে প্রার্থী হবে বলে আগে থেকে কাজ করার পদ্ধতি চলে না। সারা বছর পার্টির কাজ করো। তারপর মানুষের মনোভাব বুঝে দল প্রার্থী ঠিক করে। ভোটের প্রার্থী তো হবে একজন। কিন্তু কাজ করবে হাজার হাজার কর্মী।”