Suvendu Adhikari: ‘আইনের বই পড়া উচিত’, কেন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রাহ্য হচ্ছে না, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari On Domicile Certificate: এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সঠিক দিশা দেখাতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতরের তরফে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়। কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি করে নিবাসী শংসাপত্র পেতে আবেদন জমা পড়ছিল।

Suvendu Adhikari: আইনের বই পড়া উচিত, কেন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রাহ্য হচ্ছে না, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?Image Credit source: TV9 Bangla

Jan 05, 2026 | 4:47 PM

কলকাতা: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে ইতিমধ্যেই CEC জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু।

শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী?

এটি এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল বা নিবাসী শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তার জেরে কলকাতা পুরসভায় আবেদনকারীর সংখ্যাও বাড়ে হু হু করে। পুরসভার সদর দফতরের পাশাপাশি বিভিন্ন বরো অফিসেও এই শংসাপত্রের জন্য নাগরিকদের ভিড় হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সঠিক দিশা দেখাতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতরের তরফে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়। কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি করে নিবাসী শংসাপত্র পেতে আবেদন জমা পড়ছিল।

কিন্তু এখন সেই সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এই মর্মে ফের CEC জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের বিরুদ্ধে অপরিকল্পিত, ত্রুটিপূর্ণ এসআইআর করার অভিযোগ। রাজ্যের দাবি না মানলে এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।