Anandapur Fire: আসলে সেদিন আনন্দপুরে কী হয়েছিল? সবটা বলে দিলেন বীরেন্দ্র

Kolkata: প্রত্যক্ষদর্শী বীরেন্দ্র যাদব। ডেকরেটার্স গুদাম লাগোয়া খাটাল মালিক তিনি। আগুন দেখতে পেয়ে তিনিই প্রথম দমকলে ফোন করেন। কিন্তু ১০১ নম্বরে ফোন করলে তা চলে যায় জেলা কন্ট্রোল রুমে। জেলা কন্ট্রোল রুম তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা না নিয়ে বীরেন্দ্রকে বলে কলকাতার কন্ট্রোল রুমে ফোন করতে। তিনি আবার এক পরিচিতকে দিয়ে দমকলের কলকাতার কন্ট্রোল রুমে ফোন করেন।

Anandapur Fire: আসলে সেদিন আনন্দপুরে কী হয়েছিল? সবটা বলে দিলেন বীরেন্দ্র
কী ঘটেছিল আনন্দপুরেImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 28, 2026 | 5:44 PM

কলকাতা: আনন্দপুরে নাজিরাবাদে বিধ্বংসী আগুন। একটি নামজাদা মোমো তৈরি কারখানা আর তার সঙ্গে ডেকরের্টসের কারখানা পুড়ে ছাই। দু’দিন ধরে আগুন চালিয়েছে তার তাণ্ডবলীলা। কেড়েছে ১৬জন মানুষের প্রাণ। এখনও খোঁজ নেই অনেকের। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সরকার মৃতদের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে নিখোঁজ যাঁরা তাঁরা কোথায়?

প্রত্যক্ষদর্শী বীরেন্দ্র যাদব। ডেকরেটার্স গুদাম লাগোয়া খাটাল মালিক তিনি। আগুন দেখতে পেয়ে তিনিই প্রথম দমকলে ফোন করেন। কিন্তু ১০১ নম্বরে ফোন করলে তা চলে যায় জেলা কন্ট্রোল রুমে। জেলা কন্ট্রোল রুম তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা না নিয়ে বীরেন্দ্রকে বলে কলকাতার কন্ট্রোল রুমে ফোন করতে। তিনি আবার এক পরিচিতকে দিয়ে দমকলের কলকাতার কন্ট্রোল রুমে ফোন করেন। তার আধঘন্টা পর আসে দমকল। খাটালের মালিক আগুন দেখে নিজের পাম্প চালিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে খাটালের গরু, মহিষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিজে পালিয়ে যান। সেই রাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন টিভি নাইন বাংলাকে।

বীরেন্দ্র বলেন, “রাত আড়াইটে নাগাদ দেখি আগুন লেগেছে। আমার রান্নাঘরের একটা জানালা রয়েছে। সেই জানালা থেকে দেখি আগুন জ্বলছে। আমার তো খাটাল আছে। গরু-মোষ গুলোর যদি কিছু হয়। সেই ভয়ে নিজে মটোর থেকে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু পারিনি। আমি নেভানোর চেষ্টা করলাম কারণ আমার খাটাল রয়েছে। চেষ্টা করছিলাম যাতে গরু-মোষ গুলিকে বাঁচাতে পারে।”