
কলকাতা: মেসি কাণ্ডে হতাশ দর্শকরা টাকা ফেরত পাবেন কিনা সে ব্যাপারে আজ বৃহস্পতিবারও শুনানি হল না বিধাননগর আদালতে। পুলিশের তরফ থেকে টিকিট বিক্রির সব টাকা ফেরতের জন্য আদালতের আবেদন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিধাননগর আদালতে সেই আবেদনের শুনানি থাকলেও, দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেল। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।
এদিকে শতদ্রুর আইনজীবী সৌমজিৎ রাহা আদালতে জানিয়েছেন, পুলিশের তরফে করা আবেদন এখনই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর যুক্তি, যেহেতু এই মামলায় এখনও চার্জশিট হয়নি, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সেক্ষেত্রে পুলিশ কি করে শতদ্রুর অ্যাকাউন্টে থাকা টাকাকে দুর্নীতির টাকা বলে চিহ্নিত করছে? বিচার প্রক্রিয়া শেষে যদি শতদ্রু বেকসুর খালাস পান, তখন কি আবার দর্শকদের থেকে টাকা ফেরত চাওয়া হবে! তাই টাকা ফেরত দেওয়ার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে যুবভারতীর ঘটনার পর সাংবাদিক বৈঠক করতে দেখা গিয়েছিল ডিজিপি রাজীব কুমারকে। সেখানেই তিনি দর্শকদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন তাঁদের প্রত্যেকের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে তারপর থেকে চলছে টানা অপেক্ষা। দর্শকদের কাছে টিকিট বিক্রি করে সংস্থা ১৯ কোটি টাকা তোলে আয়োজক সংস্থা। তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।
অন্যদিকে আলিপুর আদালতে আগেই শুনানিতে আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বড়সড় দুর্নীতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, যুবভারতীতে মেসিকে আনা নিয়ে প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “এই তদন্ত একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ টিকিট কেটেছিলেন। ১৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছিল।” অন্যদিকে শতদ্রুর দত্তের থেকেও ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। কেন দেখার শেষ পর্যন্ত দর্শকরা কবে টাকা ফেরত পান।