AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ASHA workers protest: সম্পূর্ণ বন্ধ করা হল SN ব্যানার্জী রোড, ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি, কোন-কোন রাস্তা বন্ধ জেনে নিন

Kolkata: আজ নূন্যতম বেতন পনরো হাজার করার দাবিতে পথে নেমেছেন আশা কর্মীরা। হাওড়া-শিয়ালদহ-ধর্মতলা হয়ে তাঁরা বিশাল মিছিল করে আসছেন স্বাস্থ্য ভবনের দিকে। বেগুনি শাড়ির এই মিছিলে স্তব্ধ নগরী। কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক সূত্রে খবর, কোনও রাস্তাই বন্ধ করা হয়নি। তবে কিছু-কিছু জায়গা দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ASHA workers protest: সম্পূর্ণ বন্ধ করা হল SN ব্যানার্জী রোড, ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি, কোন-কোন রাস্তা বন্ধ জেনে নিন
কোন কোন রাস্তা বন্ধImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 21, 2026 | 3:09 PM
Share

কলকাতা: বুধবার সকাল থেকেই ব্যস্ত তিলোত্তমার রাস্তা। অবরুদ্ধ রাস্তাঘাট। একদিকে আইএসএফ এর সভা রয়েছে, অন্যদিকে, জেলা থেকে কলকাতায় আসছেন আশা কর্মীরাও। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা তো বটেই, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা থেকেও সকাল থেকেই ট্রেন চড়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে এসেছেন অনেক আশা কর্মী। এ দিকে, ব্যস্ত দিনে এই সব মিটিং-মিছিল হওয়ায় রীতিমতো অফিস যাত্রী থেকে নিত্য যাত্রীরা পড়েছেন চরম অসুবিধায়। এখন কোন-কোন রাস্তা সাময়িক বন্ধ রয়েছে জানুন।

আজ নূন্যতম বেতন পনরো হাজার করার দাবিতে পথে নেমেছেন আশা কর্মীরা। হাওড়া-শিয়ালদহ-ধর্মতলা হয়ে তাঁরা বিশাল মিছিল করে আসছেন স্বাস্থ্য ভবনের দিকে। বেগুনি শাড়ির এই মিছিলে স্তব্ধ নগরী। কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক সূত্রে খবর, কোনও রাস্তাই বন্ধ করা হয়নি। তবে কিছু-কিছু জায়গা দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। MG রোড, SN ব্যানার্জী রোড পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। এসএন দিয়ে যে গাড়িগুলি আসত সেই গাড়িগুলিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপক যানজট লেলিন সরণী, এজিসি বোস রোডে যে গাড়িগুলি শিয়ালদহ-ধর্মতলা দিয়ে এসএন ব্যানার্জী দিয়ে আসত, তাদের মল্লিক বাজার দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিছু গাড়ি ঘোরানো হচ্ছে MG রোড দিয়েও। তবে হাওড়ায় বেশি সংখ্যক গাড়ি না থাকার জন্য সেখানে রাস্তা বন্ধ নেই। অপরদিকে, সল্টলেক সেক্টর ফাইভে স্বাস্থ্য ভবন থেকে উইপ্রো মোড় পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ।

আশাকর্মীদের আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ২৩ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতি পালন করছেন তাঁরা। বর্তমানে এই আশা কর্মীরা ৫ হাজার ২৫০ টাকা ভাতা পান। তবে এবার তাঁরা ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা ভাতার দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মীদের মতো সব ধরনের ছুটির অধিকার, কর্মরত অবস্থায় মারা গেলে পরিবারকে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি জানিয়েছেন। সঙ্গে ইনসেন্টিভ দেওয়া বন্ধ করে সব বকেয়া অবিলম্বে মেটানোর দাবিতেও চলছে এই কর্মবিরতি।