Calcutta High Court: ‘কেন আদালতের উপর দায়িত্ব চাপানো হচ্ছে?’, শমীকের করা মামলার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি কী বললেন?

Calcutta High Court: এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানান, বুথ গুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব ছিল ম্যাকিনটোশবার্ন কোম্পানির ওপর। কিন্তু তারা রাজ্যের অর্থ দফতরের সঙ্গে কথা বলার পর কাজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছে।এটা রাজ্যের দায়িত্ব। ম্যকিনটোস ৪০ শতাংশ কাজ করার পর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

Calcutta High Court:  কেন আদালতের উপর দায়িত্ব চাপানো হচ্ছে?, শমীকের করা মামলার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি কী বললেন?
শমীক ভট্টাচার্যের করা মামলায় কী বলল হাইকোর্ট? Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 30, 2026 | 3:51 PM

কলকাতা: নির্বাচনী বুথের নিরাপত্তার দাবিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল বলেন, “এটা নির্বাচন কমিশনের কাজ। তারা নির্দেশ দিতে পারে। কেন আদালতের উপর দায়িত্ব চাপানো হচ্ছে?” প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনকে এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের বক্তব্য জানাতে হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আর্জি নিয়ে মামলা করেন।

এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানান, বুথ গুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব ছিল ম্যাকিনটোশবার্ন কোম্পানির ওপর। কিন্তু তারা রাজ্যের অর্থ দফতরের সঙ্গে কথা বলার পর কাজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছে।এটা রাজ্যের দায়িত্ব। ম্যকিনটোস ৪০ শতাংশ কাজ করার পর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

মামলাকারী শমীক ভট্টাচার্যের আইনজীবী বলেন, “এ রাজ্য সরকার অন্তত জানাক বাস্তব পরিস্থিতি কী?এবং নির্বাচনী বুথের ন্যুনতম নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নির্দেশ দিক আদালত।”

এই মামলার প্রেক্ষিতে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য ছিল, ভোটের দিন বুথে-বুথে কী ধরনের ঘটনা ঘটে, তা প্রশাসনের অবগত। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা থাকার পরও কীভাবে ইন্টিমিডেশন চলে, কীভাবে ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়? এমনকি ক্যামেরার ওপর ময়দা, কাগজ লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।  তাঁর  কথায়, “সিআরপিএফ থাকে তো বুথের বাইরে পর্যন্ত৷ কিন্তু বুথের মধ্যে যখন মানুষ ভোট দিতে ঢোকে, তাঁরা কী অবস্থায় পড়েন! বিরোধী দলের এজেন্টদের অবস্থা কী হয়? এই নিয়ে তো প্রতিনিয়ত প্রশ্ন উঠেছে৷’’ বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আর্জি নিয়ে মামলা করেন।