
কলকাতা: মণ্ডপে ঢোকার আগে দুর্বল হৃদয়ের ব্যক্তিরা ভেবে আসুন! এবারের কালীপুজোয় কার্যত এই চ্যালেঞ্জই দর্শনার্থীদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দিচ্ছেন বাঘাযতীন আনন্দমেলা স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোক্তারা। তাঁদের সাফ কথা, গতবার ১২ জন অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। এবার আরও ভয়ঙ্কর তাঁদের থিম। বলছেন, যখন তখন ভূতের সঙ্গে সম্মুখ সাক্ষাৎ হতে পারে দর্শনার্থীদের।
মণ্ডপে যে দিকে চোখ যাবে সেদিকেই দেখা মিলতে পারে ভূতের। ভয়ের পরিবেশে শ্যামা আরাধনা বরাবরই এই পুজোর ইউএসপি বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। এবার তাঁদের পুজো ৫৯ বছরে পা দিয়েছে। থাকছে বিশ্বের সবথেকে বড় জোড়া কালী। ভয়ের থিমের মাঝেই বড় আকর্ষণ রাজস্থান-ঘাটালের জোড়া কালী মূর্তি। প্রতিমা বানিয়েছেন শিল্পী উত্তম দে। এখনও খাতায়-কলমে উদ্বোধন হয়নি এই পুজোর। কিন্তু তার আগেই নামছে মানুষের ঢল। উদ্যোক্তারা বলছেন, বারাসত থেকেই এই কালী দেখতে মানুষ আসছে। আগে তো মুর্শিদাবাদ থেকেও এসেছে। এখন শিলিগুড়ির মতো উত্তরঙ্গ থেকেও মানুষ ছুটে আসছে। কাড়াকাড়ি পড়ে গিয়েছে ভিআইপি পাস নিয়ে।
উদ্যোক্তাদের তরফে ক্লাবের সম্পাদক বলরাম সাহা বলছেন, “এবার আমাদের ভাবনা বিশ্বের সবথেকে বড় জোড়া কালী। এত বড় কালী কেউ কোথাও দেখেছে বলে মনে হয় না। উদ্বোধনের আগে থেকেই প্রচুর মানুষের ভিড় জমছে। আমরা আটকাতেও পারছি না। এবার আমরা ভূতের সামনা-সামনি মানুষকে দাঁড় করাব। তাই যাঁরা হার্টের রোগী আছেন তাঁরা এখানে ঢোকার আগে একটু ভেবে ঢুকবেন। গত বছরও ভূতের থিমই ছিল। সেবার ১২ জন জ্ঞান হারিয়েছিল। সেবার আমরা করেছিলাম প্রেত আত্মার সন্ধানে।”