TMC-Kamal Hossain: ‘না বললেই ভাল হত…’. কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভোল বদল তৃণমূল নেতা কামালের
TMC-Kamal Hossain: মঙ্গলবার দুপুরে মূলত মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কামাল হোসেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে তাদের কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই ইস্যুতে বারবার দলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও, কেউ তাঁর কথা শোনেননি

কলকাতা: না, আলটপকা করা কোনও মন্তব্য নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কোনও পোস্টও নয়। মঙ্গলবার ভরদুপুরে রীতিমতো সংবাদমাধ্যমকে ডেকে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূলে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। বারবার অবজ্ঞার শিকার হওয়াতেই নাকি দল ছেড়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সংখ্যালঘু উন্নয়নে তৃণমূলের ‘ব্যর্থতা’র অভিযোগ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে তৃণমূল নেতা কামাল হোসেন দাবি করেছিলেন, এটাই নাকি আদতে আইএসএফ-এর উত্থানের কারণ। এর ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টে গেল সুর! ‘তৃণমূলেই আছি’, বললেন কামাল। সব ক্ষোভ প্রশমিত হয়ে গিয়েছে তাঁর।
এদিন দুপুরে মূলত মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কামাল হোসেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে তাদের কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই ইস্যুতে বারবার দলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও, কেউ তাঁর কথা শোনেননি, এমন অভিযোগও তোলেন কামাল হোসেন। জানিয়ে দেন, তিনি আর তৃণমূলে থাকছেন না।
এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেই প্রকাশ্যে এল কামালের ভিডিয়ো বার্তা। সকালে যা কিছু বলেছিলেন, তার থেকে সরে গেলেন অনেকটাই। কামাল ওই ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, সংবাদমাধ্যমে আমি কিছু কথা বলেছি, সাময়িক অভিমান আর কষ্ট থেকে বলেছি। মাদ্রাসা সংক্রান্ত কিছু বক্তব্য ছিল। সেই বিষয়ে দলের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সমাধান হবে। তবে সমস্যাটা যেহেতু গভীর, তাই একটু সময় লাগতে পারে। সুর নরম করে কামাল বলেন, কিছু কথা বলেছি সংবাদমাধ্যে। সেগুলো না বললেই ভাল হত। আমি দুঃখিত, দলের শীর্ষনেতাদের প্রতি আমার আস্থা আছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে তিনি খাতায়-কলমে এখনও তৃণমূলে আছেন, মুখপাত্র পদেও আছেন।
বিরোধীরা অনেকেই বলেছিলেন, কামাল হোসেনের বিবেকের দংশন হয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূল দলটা আসলে কী। কিন্তু কার আশ্বাসে আবারও সুর বদলালেন তিনি, সেই প্রশ্নই ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।
