বাড়িতে আছে, কিন্তু কবে বদলেছেন মনে আছে? নিত্যদিনের ৫ জিনিস যা নিয়মিত না পাল্টালে বিপদ!

বাসন মাজা স্পঞ্জ দেখতে পরিষ্কার হলেও ভিতরে জমে থাকতে পারে অসংখ্য জীবাণু। জার্মানির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহৃত স্পঞ্জে লক্ষ লক্ষ ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার বদলানো বা গরম জলে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

বাড়িতে আছে, কিন্তু কবে বদলেছেন মনে আছে? নিত্যদিনের ৫ জিনিস যা নিয়মিত না পাল্টালে বিপদ!
Image Credit source: AI

Feb 18, 2026 | 6:25 PM

প্রতিদিন ব্যবহার করছেন। হাতের কাছেই থাকে। কিন্তু শেষ কবে বদলেছেন- সেটা কি মনে আছে? দামি জিনিস যত্নে রাখেন সকলেই, অথচ ছোট ছোট নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বছরের পর বছর ব্যবহার করেন। আর সেখানেই লুকিয়ে থাকে জীবাণু এমনকী, বড়সড় শারীরিক ঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরের কয়েকটি সাধারণ জিনিস সময় মতো না বদলালে তা সরাসরি স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কী কী বদলাবেন?

টুথব্রাশ (Toothbrush)

দাঁত মাজার ব্রাশ তিন মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয় এ কথা বহুদিন ধরেই বলে আসছে দন্তচিকিৎসকরা। আমেরিকার ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তিন মাস পর ব্রাশের রোঁয়া নরম হয়ে যায়, পরিষ্কার করার ক্ষমতা কমে। পাশাপাশি ভেজা থাকায় জীবাণু জমার আশঙ্কাও বাড়ে। সর্দি-কাশি হলে তো সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ বদলানোই ভালো।

রান্নাঘরের স্পঞ্জ (Kitchen Sponge)

বাসন মাজা স্পঞ্জ দেখতে পরিষ্কার হলেও ভিতরে জমে থাকতে পারে অসংখ্য জীবাণু। জার্মানির একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্যবহৃত স্পঞ্জে লক্ষ লক্ষ ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার বদলানো বা গরম জলে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

বালিশ (Pillow)

একই বালিশ পাঁচ-ছয় বছর ধরে ব্যবহার করছেন? তাহলে সতর্ক হোন আজই। সময়ের সঙ্গে বালিশে জমে ধুলো, মৃত ত্বক আর ডাস্ট মাইট। এতে অ্যালার্জি, ঘাড়ে ব্যথা বা ঘুমের সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেড় থেকে দুই বছর অন্তর বালিশ বদলানো উচিত।

রেজর (Razor)

একটি ব্লেড বা রেজর বারবার ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তিন থেকে পাঁচবার ব্যবহারের পর ব্লেড বদলানোই নিরাপদ। বিশেষ করে ভেজা বাথরুমে রেখে দিলে মরচে পড়ে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারে।

জুতো (Shoes)
প্রিয় জুতো ফেলে দিতে মন চায় না, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রতিদিন ব্যবহার করা জুতো ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বদলানো ভালো। পুরনো জুতোর সোল ক্ষয়ে গেলে হাঁটার ভঙ্গি বদলে যায়, ফলে হাঁটু বা কোমরে ব্যথা বাড়তে পারে।