তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রির আশেপাশে ঘুরছে। আর মুখেও রোজ ব্রণ হচ্ছে। রোদে বেরোনোর আগে সানস্ক্রিন মাখলেও ভ্যাপসা গরমে ব্রণকে এড়ানো যাচ্ছে না। রোদে, ঘামে ত্বকের বেহাল দশা। স্যালিসিলিক অ্যাসিড থেকে অ্যালোভেরা জেল, কোনও পণ্যই কাজ দিচ্ছে না ব্রণর চিকিৎসায়। আপনি যদি ব্রণ হওয়ার কারণটা না জানেন, তাহলে নামীদামি পণ্য ব্যবহার করেও সুফল পাবেন না। এই গরমে কেন ব্রণ বা ব্রেকআউটের সমস্যা বাড়ে, তা জানা দরকার। তাহলে সহজেই এড়াতে পারবেন ব্রণর সমস্যা।
পোশাকের উপর জোর দিন: গরমে হালকা রঙের পোশাক পরুন। তার সঙ্গে পাতলা সুতির পোশাক পরুন। হালকা পোশাকে ঘাম কম হয় এবং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়। এতে রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
সানস্ক্রিন জরুরি: সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে বেরোলে ব্রণর সমস্যা বাড়বে। পাশাপাশি ত্বকে সানবার্ন, র্যাশ, বলিরেখার সমস্যা বাড়ে। ব্রেকআউটের সমস্যা এড়াতে গেলে সানস্ক্রিন মাখা জরুরি। যদি তৈলাক্ত ও ব্রণ-প্রবণ ত্বক হয়, সেক্ষেত্রে জেল বেসড সানস্ক্রিন মাখুন।
ময়েশ্চারাইজার এড়িয়ে যাবেন না: গরমে ঘাম বেশি হয়। তাই অনেকেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজার অপরিহার্য। ময়েশ্চারাইজার না মাখার কারণেও ব্রেকআউটের সমস্যা বাড়ে। গরমে হালকা, জেল-বেসড ও অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার মাখুন। এক্ষেত্রে আপনি অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন।
চিনি মেশানো পানীয় একদম নয়: রোদে বেরিয়ে ঢক ঢক করে কোল্ড ড্রিংক্স খাচ্ছেন। যত বেশি চিনি মেশানো নরম পানীয় খাবেন, ত্বকের সমস্যা বাড়ে। চিনি হরমোনাল অ্যাকনির পিছনে দায়ী। চিনি ত্বকে প্রদাহ ও তেল উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে। এরে জেরে ব্রণ হয়।
ঘাম: গরমকালে ঘাম বেশি। ঘাম ত্বকের উপর শীতল প্রভাব ফেলে। কিন্তু ঘাম হলে তাতে ব্যাকটেরিয়াল, ময়লা, তেলও উপস্থিত থাকে। এগুলো রোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এর জেরে ব্রণ, ব্রেকআউটের সমস্যা বাড়ে। ঘাম থেকে নিস্তার পাওয়ার উপায় নেই। তাই দিনের দু’বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। স্নানের সময় ভাল করে ত্বক পরিষ্কার করুন।