৩ মার্চের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণে শিশুর জন্ম হলে জানেন কেমন ভাগ্য ও স্বভাব হয়?
এই শিশুরা নিজেদের কঠোর পরিশ্রমের জোরে বিশ্বে নিজেদের নাম উজ্জ্বল করতে সক্ষম হয়। গবেষণা বা সৃজনশীল কাজের প্রতি এদের গভীর আগ্রহ থাকে। এদের চিন্তাশক্তি সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি গভীর হয়। তবে ইতিবাচক দিক থাকলেও, এই দিনে জন্মানো শিশুদের মধ্যে অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের অভাব লক্ষ্য করা যায়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্রগ্রহণের ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমায়, অর্থাৎ আগামী ৩ মার্চ বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ঘটতে চলেছে। দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে শুরু হয়ে এই গ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। সিংহ রাশি এবং পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্রে ঘটা এই গ্রহণটি হবে এ বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ, যার স্থায়িত্ব ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট।
ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গ্রহণকে একটি অশুভ ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়। মনে করা হয়, এই সময় নেতিবাচক শক্তি অত্যন্ত সক্রিয় থাকে, যা মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের এই সময়ে বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়, যাতে গর্ভস্থ সন্তানের ওপর কোনো অশুভ প্রভাব না পড়ে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, যদি এই চন্দ্রগ্রহণের সময় কোনো শিশুর জন্ম হয়, তবে তার স্বভাব বা ভাগ্য কেমন হয়?
জ্যোতিষশাস্ত্রে চন্দ্রকে মনের কারক বা নিয়ন্ত্রক বলা হয়। গ্রহণের সময় চন্দ্রের শক্তি সাময়িকভাবে হ্রাস পায়। ফলে:
চন্দ্রগ্রহণের দিনে জন্মানো শিশুরা স্বভাবগতভাবে অত্যন্ত ভাবুক বা আবেগপ্রবণ হয়। এরা খুব সংবেদনশীল প্রকৃতির হয় এবং ছোটখাটো বিষয়কেও খুব গুরুত্ব দিয়ে ফেলে। এরা অন্যের আবেগকে সম্মান করতে জানে এবং কাউকে সহজে ধোঁকা দেয় না।
এই শিশুরা নিজেদের কঠোর পরিশ্রমের জোরে বিশ্বে নিজেদের নাম উজ্জ্বল করতে সক্ষম হয়। গবেষণা বা সৃজনশীল কাজের প্রতি এদের গভীর আগ্রহ থাকে। এদের চিন্তাশক্তি সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি গভীর হয়। তবে ইতিবাচক দিক থাকলেও, এই দিনে জন্মানো শিশুদের মধ্যে অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের অভাব লক্ষ্য করা যায়। গ্রহণের নেতিবাচক প্রভাব কাটাতে এই দিনে জন্মানো শিশুদের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ শান্তি স্বস্ত্যয়ন বা পূজা করার পরামর্শ দেন অনেক জ্যোতিষী। তবে সঠিক লালন-পালন ও সুযোগ পেলে এরা সমাজ ও দেশের গর্ব হয়ে উঠতে পারে।
