চিকেন পক্সের হাত থেকে বাঁচতে কী কী সতর্কতা জরুরি?
আক্রান্ত শিশুর কাশি বা হাঁচি থেকে ভাইরাস ছড়ায়। ফুসকুড়ি স্পর্শ করলেও সংক্রমণ হতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার দুই দিন আগে সংক্রমণ শুরু হয় এবং চলতে থাকে যতদিন সব ফুসকুড়ি শুকিয়ে যায় ততদিন পর্যন্ত।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঘরে দেখা যায় বসন্তরোগ। চিকেনপক্স (Chickenpox) এখনো বিশ্বজুড়ে একটি সাধারণ সংক্রামক রোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। এটি Varicella‑zoster ভাইরাস আক্রমণে হয় এবং খুব সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। স্কুলে এই রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। চিকেনপক্স সম্পর্কে সতর্ক থাকা বিশেষ ভাবে জরুরি। প্রচলিত রয়েছে, একবার পক্স হলে নাকি আর কোনওদিনও পক্স হয় না। কিন্তু এই ধরনের বক্তব্যের কোনও চিকিৎসাশাস্ত্রে ভিত্তি নেই। তাই একবার কারও পক্স হলে, আবারও হতে পারে।
সংক্রমণ কিভাবে হয়?
আক্রান্ত শিশুর কাশি বা হাঁচি থেকে ভাইরাস ছড়ায়। ফুসকুড়ি স্পর্শ করলেও সংক্রমণ হতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার দুই দিন আগে সংক্রমণ শুরু হয় এবং চলতে থাকে যতদিন সব ফুসকুড়ি শুকিয়ে যায় ততদিন পর্যন্ত।
কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন?
হালকা জ্বর, শরীর, মুখ পেট বা পিঠে লাল ফুসকুড়ি, চুলকানি ও অস্বস্তি পক্সের লক্ষণ হতে পারে। সাধারণত ফুসকুড়ি ৪–৭ দিনে শুকিয়ে যায়। শিশুদের মধ্যে বেশি হলেও সাধারণত হালকা হয়, বড়দের ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি হতে পারে।
সম্প্রতি ভারতের কিছু অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে পক্সের কেস বাড়ছে। সূত্রের খবর কেরালার এরনাকুলাম ( Ernakulam) জেলায় ২২৮টি কেস রেকর্ড হয়েছে। ( ১৮ই জানুয়ারির তথ্য অনুযায়ী) নাগপুরেও শীতকালে শিশুদের মধ্যে চিকেন পক্স বেশি দেখা যাচ্ছে, যদিও বড় কোনও সংক্রমণ বা মহামারি হয়নি তবুও সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।
প্রতিরোধ কীভাবে সম্ভব?
টিকা নেওয়া সবচেয়ে কার্যকরী। শিশুদের দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পরামর্শ রয়েছে, আক্রান্তকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা, ফুসকুড়ি না চুলকানো, এতে রস থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। হাত ধুতে হবে বার বার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই জরুরি।
