প্রতিদিন লিপস্টিক ও আই-লাইনার ব্যবহার করছেন? দ্রুত ত্যাগ করুন এই অভ্যাস
বিশেষজ্ঞদের কথায়, লিপস্টিক আইলাইনারে থাকে প্যারাবেন, যা শরীরের হরমোন ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে এবং জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বেশ কিছু ভারী ধাতু যেমন সিসা, ক্যাডমিয়ামের দেখা মেলে অনেকের পছন্দের লিপস্টিক আইলাইনারে। যা স্নায়ু, রক্ত, কিডনির ক্ষতি করতে পারে। চট জলদি মেকআপের সমাধান এই প্রোডাক্ট দুটিতে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ফর্মালডিহাইড তৈরি করে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। এই সব কেমিক্যালের প্রভাবে হরমোনের সমস্যা, ত্বক-চোখ জ্বালা হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। অল্প ব্যবহারে ক্ষতি নেই। তবে বহুদিন ব্যবহারে হতে পারে ক্ষতি।

অনেকেই মনে করে মেকআপ আত্মবিশ্বাস বাড়িতে তুলতে সাহায্য করে। আর রোজের মেকআপ মানেই লিপস্টিক আইলাইনারের জুড়ি মেলা ভার। হালকা টাচআপের জন্য মেয়েদের হাতব্যাগে অধিকাংশ সময়ই লিপস্টিক আইলাইনার রাখা থাকে। তবে জানেন কি, প্রতিদিন এই লাইনার-লিপস্টিক ব্যবহার আপনার জন্যে কতটা ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে? সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা এই বিষয় সতর্ক করছেন — লিপস্টিক ও আইলাইনারে থাকা বেশ কিছু রাসায়নিক দীর্ঘদিন ধরে ত্বকে থাকলে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
কী কী ক্ষতি করতে পারে লিপস্টিক আইলাইনারের ব্যবহার? কী কী কেমিক্যাল থাকে এতে?
বিশেষজ্ঞদের কথায়, লিপস্টিক আইলাইনারে থাকে প্যারাবেন, যা শরীরের হরমোন ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে এবং জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বেশ কিছু ভারী ধাতু যেমন সিসা, ক্যাডমিয়ামের দেখা মেলে অনেকের পছন্দের লিপস্টিক আইলাইনারে। যা স্নায়ু, রক্ত, কিডনির ক্ষতি করতে পারে। চট জলদি মেকআপের সমাধান এই প্রোডাক্ট দুটিতে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ফর্মালডিহাইড তৈরি করে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। এই সব কেমিক্যালের প্রভাবে হরমোনের সমস্যা, ত্বক-চোখ জ্বালা হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। অল্প ব্যবহারে ক্ষতি নেই। তবে বহুদিন ব্যবহারে হতে পারে ক্ষতি।
তা বলে কি সাজবেন না! অবশ্যই সাজবেন, তবে মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম
লিপস্টিক আইলাইনার কেনার আগে লেবেল পড়ে নিন। লেবেলে “paraben-free”, “phthalate-free” ইত্যাদি লেখা থাকলে নিঃসন্দেহে তা রেখে দিন আপনার ভ্যানিটি ব্যাগে। মেয়াদ দেখে কিনুন,আর মেয়াদ শেষ হলে একেবারে ফেলে দিন ডাস্টবিনে। প্রতিদিন একই প্রোডাক্ট ব্যবহার করা কমালে খানিক বিপদ কমবে। প্রাকৃতিক ব্র্যান্ড বা সার্টিফায়েড ব্র্যান্ড বেছে নিন তাতে ঝুঁকি কমবে ।
পছন্দের প্রোডাক্ট ব্যবহার করায় অসুবিধা নেই। তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে প্রোডাক্টটিতে উপস্থিত কেমিক্যালে আপনার ক্ষতি হবে কিনা। কেমিক্যাল সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে ত্বকের সামান্য সমস্যা হলেই ডার্মাটোলজিস্ট -এর পরামর্শ নিন। যে প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে ত্বকের সমস্যা হতে পারে, সেই প্রোডাক্ট দ্রুত ব্যবহার বন্ধ করুন। বাচ্চাদের লিপস্টিক, আইলাইনারের মতো মেকআপ প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকাই ভাল। বাচ্চাদের ত্বক বেশি সেনসিটিভ হয়, তাই ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি। রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে নিন। প্রয়োজনে মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করুন।
