এখনকার অধিকাংশ মেয়েই ঠিক করে শাড়ি পরতে পারেন না। বলা ভাল সেই আত্মবিশ্বাসও থাকে না। আগেকার দিনে ছোট থেকেই মেয়েরা শাড়ি পরত। ফ্রক ছেড়ে সেই যে শাড়ি ধরত তা চলতেই থাকত। এছাড়াও সিকুল-কলেজে শাড়ি পরতে হত। শাড়ি পরেই বাড়ির যাবতীয় কাজ সামলে চলত। যে কারণে শাড়ি সামলাতে কোনও রকম অসুবিধে হত না। এখন মেয়েরা জিনস, সালোয়ারে বেশি অভ্যস্ত। শাজডি পরতে চাইলে হাতের সামনেই পাওয়া যায় প্রফেশনালসদের খোঁজ। শাড়ি ছাড়াও এমন পোশাক এখন পাওয়া যায় যে শাড়ি না হলেও চলে যায়। এছাড়াও রেডি টু ওয়্যার শাড়ি থাকে। যেখানে কুঁচি, আঁচল আলাদা করা থাকে। শুধু গুঁজে নিলেই হল। তাই এই রকম শাড়িও এখন খুব জনপ্রিয়। তবে যেমনই পোশাক থাকুক না কেন শাড়ির কোনও তুলনা নেই। ইউটিউবে সহজ পদ্ধতিতে শাড়ি পরার অনেক ভিডিয়োও পাওয়া যায়। আজ রইল কিছু সহজ টিপস। এই পদ্ধতি মেনে শাড়ি পরলে একটা সেফটিপিনেই কাজ হয়ে যাবে।
প্রথমবার শাড়ি পরার সময় ভারী ফ্যাব্রিক কিংবা জটিল কোনও ফ্যাব্রিক বাছবেন না। যেমন – সিল্ক, ব্রোকেড, বেনারসী, তাঁত। হ্যান্ডলুম কিংবা নাইলন সবচেয়ে উপযুক্ত। সহজেই ম্যানেজ করা যায়। শাড়ির ওজন যেন বেশি না হয়। মুশকিলে পরবেন।